
করোনা বিস্তার রোধে দেশব্যাপী দীর্ঘ লকডাউনের ফলে রামুতে গৃহবন্দি হয়ে পড়া অসহায় দরিদ্র খেটে খাওয়া পরিবারের মাধে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জামাল উদ্দিন কোম্পানী। তিনি নিজ উদ্যোগে কক্সবাজারের রামু উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মহীন অসহায় ৪ হাজার পরিবারের মাঝে নিত্যপণ্য ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক জামাল কোম্পানী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন দুর্যোগপূর্ণ সময়ে জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর আহবান ছাড়াও নিজের দায়বদ্ধতার থেকে কর্মহীন, গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছি।
তিনি জানান, নোবেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মাহামারিতে সরকার লকডাউন ঘোষনার পর ঘর বন্দি হয়ে পড়েন কর্মজীবি মানুষ। এর ভিতরে রমজান শুরু হওয়ায় এসব কর্মজীবি হত দরিদ্র মানুষ গুলো আরও অসহায় পড়ে। তারা পরিবার পরিজন নিয়ে খাদ্য সংকটে পড়েন। এসব কর্মহীন অসহায় পরিবার যেন না খেয়ে তাকে, কিছুটা হলেও তাদের পরিবারের মূখে হাসি ফোটাতে, নিজ উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছি।
তিনি আরও জানান, বিগত একসপ্তা ধরে উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মুন্সি পাড়া, সোহাগ পাড়া, সিকদার পাড়া, খোনকার পাড়া, মালি পাড়া, লম্বড়ী পাড়া, খোন্দকার পাড়া, ৫নং ওয়ার্ডের শ্রীকুল, ৭নং ওয়ার্ডের মেরুংলোয় বড়ুয়া পাড়া ও ৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম মেরুংলোয় এবং ৯নং ওয়ার্ডের উত্তর ফতেখাঁরকুল, সাতঘড়িয়া পাড়ায় হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছেঁ দেয়া হয়।
এছাড়াও চাকমারকুল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের কুনার পাড়া, মালি পাড়া, খোনকার পাড়া, আসকর পাড়া, তেচ্ছিপুন ষ্টেশনের দক্ষিন ও উত্তর পাশের গ্রাম গুলোর দরিদ্র পরিবারের মাঝে এসব খাদ্র সামগ্রী দেয়া হয়। কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লামার পাড়া, গাছুয়া পাড়া ও স্কুল পাড়া, খুনিয়া পালং ইউনিয়নের ২৫০ পরিবার সহ এ পর্যন্ত ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হয়। তিনি বাকি অন্যান্য ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ চলমান থাকবে বলেও জানান।
অপরদিকে জেলা পরিষদ সদস্য ও সাবেক কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শমশুল আলম জানান, করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি নিয়ে জামাল কোম্পানী বিভিন্ন ইউনিয়নের গরীব অসহায় মানুষের কাছে ছুটে গিয়ে তাদের খোঁজ খবর নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁেছ দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি নিজেকে আড়ালে না রেখে তরুন বয়সে গরীব মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। ভবিষ্যতেও অসহায়দের সাহায্যত্বে পাশে থাকার জন্য আহবান জনান জেলা পরিষদের এই সদস্য
করোনা ভাইরাসের মহামারির এমন দুর্যোগের সময় সাহায্যে জামাল কোম্পানীকে পাশে পেয়ে মহা খুশি কর্মহীন হয়ে পড়া কেটে খাওয়া দিন মজুর অসহায় নারী-পুরুষ।













