
রামু প্রতিনিধি :
রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের মনিরঝিল ৩নং ওয়ার্ডে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন আহত হয়েছে।মঙ্গলবার (১৯ মে) মনিরঝিল ৩নং ওয়ার্ডে বিকাল ৫ টায় এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন মনিরঝিল ৩নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ স্ত্রী নুর নাহার বেগম, আব্দুল্লাহ ছেলে মোবারক হোসেন(২৫),মোরশেদ ((১৬) ও আব্দুল আজিজ (১৪)।মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ নিজেও এ হামলার শিকার হন।এতে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বাদী হয়ে (২০ মে)রামু থানায় ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায় করেছেন।অভিযুক্ত
আসামীরা হলেন মনিরঝিল ৩নং ওয়ার্ডের মৃত আকতার কামালের ছেলে মোহাম্মদ কাছিম(৫২), জাকের আহমদের ছেলে ওসমান গণি(৩২), মৃত ছৈয়দ আহমদের ছেলে মুফিজুর রহমান(৫২), ওসমান গণির স্ত্রী ছালেহা বেগম(২৮),জাকের আহমদের ছেলে মনু মিয়া(২৫),দিলদার মিয়া(২৭),মৃত আকতার কামালের ছেলে জাকের আহমদ(৫৬),৮।জাকের আহমদের ছেলে আব্দুল গণি(৩০)।থানায় অভিযোগ ও বাদী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান,আমার স্ত্রী নুর নাহার বেগম মরহুম আক্তার কামালের কন্যা।পৈত্রিক সূত্রে ওয়ারিশী অংশানুপাতে নুর নাহার বেগম ও তার বড় বোন শামশুন্নাহার মিলে মোট ১৯ কড়া জমির মালিক হন।বিবাদীরা শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে বি,এস দাগ-৫৮০ থেকে ৫ কড়া জমি বুঝিয়ে দেয়।আরো ১৪ কড়া জমি ২৪৮ খতিয়ানের বি.এস ৫৮৩ দাগ হতে বিবাদীদের নিকট হতে পাওনা আছি। দখল দেওয়া ৫৮০ দাগের পৈত্রিক ৫ কড়া জমিতে একটি গোয়াল ঘর তৈরি করে নুর নাহার বেগম ভোগ দখলে আছে।
গত মঙ্গলবার(১৯ মে)বিকাল পাঁচটায় ৫ কড়া জমিতে একটি খঁড়ের কুইজ্যা তৈরী তে বাধা দেয় এবং জমি দখল করার নিমিত্তে আমাকে,আমার স্ত্রী নুর নাহার বেগম ও আমার সন্তানদের এলোপাতাড়ি মারধর করে।আমার গোয়াল ঘর ভেঙে পেলেন। আমার কাছে থাকা মোবাইল সেট ও নগদ টাকা নিয়ে যায়। খঁড়ের কুইজ্যায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা করলেও স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে আগুন দিতে না পারায় রাত ১১টায় আবারও বিবাদীরা ১০-১২জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী এনে আমার বসতঘরে হামলা চালায়।এতে আমার ঘরের দরজায় ও টিনের ছালে ব্যাপক লাঠি পেঠা করে ক্ষতি সাধন করে।সন্ত্রাসীরা আমাদেরকে খুন করার উদ্দেশ্যে বাড়ির বাহির হতে বলেন।তাদের অবস্থা মারমুখী ও বেগতিক দেখে আমরা বাড়ি থেকে কেউ বের না হলে আমাদেরকে যে কোন মুহুর্তে হত্যা করবে বলে হাকাঁবকা করে চলে যায়।স্থানীয় মেম্বার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
তাই আমি বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি জোর আবেদন জানাচ্ছি।













