
বার্তা পরিবেশক:
রামুর চৌমুহনী স্টেশনন্থ হাজ্বী কমপ্লেক্সে এর নিচতলায় ডুলাহাজারা এক্স-ওে সেন্টার হাঁড় ভাঙ্গা চিকিৎসালয়ে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন ডা. প্রদীপ চৌধুরী। সম্প্রতি শুভম বড়ুয়া নামের ৬ বছর বয়সী শিশুর পায়ের চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে ডা. প্রদীপ চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনলাইন সংবাদ মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। যা প্রদীপ চৌধুরীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি এসব অপপ্রচার ভিত্তিহীন ও মনগড়া বলে উল্লেখ করেছেন এবং এর যথাযথ ব্যাখাও দিয়েছেন।
প্রদীপ চৌধুরী জানান, শুভম বড়ুয়া নামের শিশুটিকে তার চেম্বারে আনার পূর্বে চৌমুহনী স্টেশনের উত্তর পাশের্^ হানিফ মার্কেটে অবস্থিত মালুমঘাট এক্স-রে সেন্টার এর কর্মরত ডা. বুলবুল কান্তি দে চিকিৎসা সেবা দেন। যার চিকিৎসাপত্র রয়েছে। পরবর্তীতে প্রদীপ চৌধুরীর কাছে নিয়ে আসা হলেও তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেয়ার পর ওই শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ডুলাহাজারা মালুমঘাট খিষ্ট্রান মেমোরিয়াল হাসপাতাল অথবা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু শিশুটির অভিভাবকরা বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে আরেকজন্য বৈদ্যের মাধ্যমে চিকিৎসা করান। যে কারনে শিশুটির পায়ের অবস্থা আরো নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে।
উল্লেখ্য শিশুটি পায়ে আঘাত পাওয়ার পর প্রথমে মালুমঘাট এক্স রে সেন্টারে ডা. বুলবুল কান্তি দে এর কাছে নেয়া হয় গত ৫ মার্চ। সেখানে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পর পাশর্^প্রতিক্রিয়া দেখা দিলে ৯ মার্চ ডা. প্রদীপ চৌধুরীর কাছে আনা হয়। সেখানে এক্স-রে করে ৪ সপ্তাহের জন্য প্লাষ্টার করা হয়। পরে শিশুটির বাবা ৫দিন পর সেই প্লাস্টার খুলে ফেলেন এবং ৭দিন পর শিশুটিকে চেম্বারে নিয়ে এসে আবারো প্লাস্টার করার অনুরোধ করেন শিশুটির মা। এসময় ডা. প্রদীপ শিশুটিকে আর প্লাস্টার করা যাবে না বলে জানান এবং আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য ডুলাহাজারা মালুমঘাট খিষ্ট্রান মেমোরিয়াল হাসপাতাল অথবা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার জন্য শিশুটির মাকে পরামর্শ দেন। এসময় তিনি শিশুটির বাবাকে তার সাথে দেখা করার জন্য অনুরোধ জানালেও তিনি আর দেখা করেননি। পরে দীর্ঘদিন চিকিৎসাবিহীন থাকার কারণে অর্থাৎ অভিভাবকদের চরম অবহেলার কারনে শিশুটির পায়ের অবস্থা জটিল আকার ধারণ করে।
এমনিতেই পায়ে আঘাত পাওয়ার পর চিকিৎসা করিয়েছেন অন্য একজন চিকিৎসক (মালুমঘাট এক্স-রে সেন্টারের ডা. বুলবুল কান্তি দে) এর মাধ্যমে। মাঝখানেই ডা. প্রদীপ শিশুটিকে আংশিক চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন মাত্র। বাবা-মায়ের অবহেলার কারণে শিশুটি পায়নি উন্নত চিকিৎসাও। যার কারণে সম্প্রতি শিশুটির পায়ের আঘাত জটিল হয়েছে মর্মে জানতে পারেন ডা. প্রদীপ চৌধুরী। একজন চিকিৎসক, একজন পিতা বা একজন মানুষ হিসেবে শিশুটির পায়ের জটিল অবস্থায় তিনি নিজেও মর্মাহত। এমন পরিস্থিতিতে অনলাইন সংবাদ মাধ্যম ও ফেসবুকে উল্টো ডা. প্রদীপ চৌধুরীকে জড়িয়ে অপপ্রচার চরম দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত। কারণ শিশুটির এ অবস্থার জন্য প্রদীপ চৌধুরী কোনমতেই দায়ি নন। আর যদি দায়ি হন তাহলে তার আগে যিনি চিকিৎসা করেছেন তিনিও কি দায় এড়াতে পারেন। মূলত একজন চিকিৎসক কোনদিনই একজন রোগীর অকল্যাণ চাননা। সে শিশু হোক বা যুবক-বৃদ্ধ হোক। শিশুটির এ অবস্থার জন্য কে দায়ি তা না বললেও শিশুটির চিকিৎসার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের চরম অবহেলা ছিলো অনেক বেশী। যার কারনে নিষ্পাপ শিশুটিকে যন্ত্রণা ভোগ করতে হচ্ছে। অভিভাবকরা যথাসময়ে শিশুটির চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন কতিপয় কুচক্রী মহলের উন্ধনে ডা. প্রদীপ চৌধুরীকে অপচিকিৎসার জন্য দায়ি করে মিথ্যা প্রচারনা চালানো হচ্ছে। যা অনাকাংখিত ও দুঃখজনক।
ডা. প্রদীপ চৌধুরী শিশু শুভম বড়ুয়ার আশু সুস্থতা কামনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে তাকে জড়িয়ে অপপ্রচারের নিন্দা এবং এসব অপপ্রচারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।













