
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কাউয়ারখোপ বাজার এর মোহাম্মদ হারুন সওদাগরের মুদির দোকান থেকে ত্রাণের চাউল ও এনজিও সংস্থা কর্তৃক দেওয়া বিস্কুট এর কার্টুন উদ্ধার করা হয়েছে। ৩জুলাই রাত আনুমানিক ২টার দিকে গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রণয় চাকমা অভিযান চালিয়ে ১৭বস্তা চাউল ও ৭ কার্টুন বিস্কুট উদ্ধার করেন। এসময় রামু থানা পুলিশ অফিসার গনেশ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে উদ্ধার হওয়া চাউল ও বিস্কুট রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হেফাজতে রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকার জন সাধারণের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইউপি মেম্বার হাবিব উল্লাহ, আবদুল্লাহসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এনজিও সংস্থা কর্তৃক অসহায়দের জন্য দেওয়া চাউল ও বিস্কুট চেয়ারম্যান মোস্তাক কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আত্মসাৎ করার জন্য সরিয়ে নেয়। এব্যাপারে কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ ত্রানের চাউল আত্মসাতের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এদিকে চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তার দূর্নীতির শ্বেতপত্র নিয়ে অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্যাটাস প্রদান করেছেন। তেমনি কাউয়ারখোপের এমদাদুল হক নামে এক প্রবাসী তার ফেসবুকে দেওয়া পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হল।
রামু_উপজেলার_সৎ_সাহসী_নির্বাহী_অফিসার
জনাব_প্রণয়_চাকমা_সাহেব এগুলো উদ্ধার করেন।
অসংখ্য ধন্যবাদ রামু উপজেলা প্রশাসন কে।
সাধারণ জনগণের দাবী দ্রুত গ্রেফতার করা হউক
চাউল চোর ঘুষখোর চেয়ারম্যান কে।
কাউয়ারখোপ ইউপি চেয়ারম্যান এর দীর্ঘদিনের দূর্নীতিতে কাউয়ার খোপ বাসী অতিষ্ঠ হয়ে পরেছিল।
চোরের দশদিন আর গেরস্তের একদিন এ কথাই সত্যি প্রমানিত হল।
পাপ কখনো বাপকে ছাড়েনা।
গরীব অসহায় মানুষ গুলো দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতিত হচ্ছে সুবিচার না পেয়ে।
কক্সবাজার জেলায় দূর্নীতি ঘুষ দাবিতে শ্রেষ্ঠ হয়েছে অনেকবার বিতর্কিত এই চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমেদ।
২০১৬ সালে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই কাউয়ার খোপের ইউপি চেয়ারম্যানের অহরহ দূর্নীতি ও ঘুষ দাবির রেকর্ড সহ প্রমান রয়েছেন – তবুও তাকে কেন এতদিন ধরে গ্রেফতার করা হলোনা এনিয়ে হতাশ এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর পক্ষে থেকে
অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই রামু উপজেলা প্রশাসনের গৌরব জনাব প্রণয় চাকমা মহোদয় সাহেব কে।













