
এম.এ আজিজ রাসেল:
কক্সবাজার বাস টার্মিনাল এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রলায়ের তালিকাভুক্ত আবু নফর প্রকাশ বার্মায়া ইয়াবা নফর পুলিশের ভয়ে গা ঢাকা দিলেও মাদ্রাসার বার্ষিক সভার পোস্টারে বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসেবে নাম লেখিয়েছেন। এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় এক চাঞ্চচল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। একজন ইয়াবা গডফাদারের নাম একটি মাদ্রাসার বার্ষিক সভার পোস্টারে বিশিষ্ট সমাজসেবক হয়ে উঠায় নানা রহস্য খুঁজছে এলাকার সচেতন মহল।
বিভিন্ন তথ্যের সূত্রে জানা যায় আবু নফর একজন রোহিঙ্গা নাগরিক ইয়াবার আশির্বাদে হয়ে উঠেন নব্য কোটিপতি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রালয়ের ১১৩৪ জনের তালিকায় তার নাম রয়েছে ৭ নম্বরে। অপরদিকে কক্সবাজারের ৪৫৪ জনের মানবপাচার তালিকায় তার নাম রয়েছে ৩ নম্বরে। স্থানীয় সিরাজুল ইসলাম প্রকাশ চিকইন্নার ২০১৮ সালের দিকে আবু নফরের নেতৃত্বে ২ কোটি টাকার বিপুল পরিমাণ ইয়াবা লোট করে সে হয়ে যায় রাতারাতি কোটিপতি। ভাল মানুষ সাজতে স্থানীয় জামে মসজিদে ১৪ লাখ টাকা অনুদান দেন। প্রথমদিকে মসজিদ সভাপতি হারুন রশিদ সিকদার তার অনুদানের টাকা ফেরত দিলেও কিছু মানুষের চাপাচাপির কারনে অবশেষে ঐ ১৪ লাখ টাকায় মসজিদের অনুদান হিসেবে গ্রহণ করে। এতে তার লালিত কিছু মানুষের প্রচারণায় রাতারাতি হয়ে যায় বিশিষ্ট সমাজসেবক। এই ঘটনার চরম চাপের মুখে পড়ে প্রানে বাচতে পালিয়ে যায় মালয়েশিয়ায়। বর্তমানে চট্রগ্রাম দাম পাড়ায় আলিশান বাড়ি গাড়ি করে রাজার হালেতে চলাফেরা করে। মাঝে মাঝে চক্কর দিতে আসে কক্সবাজার বাস টার্মিনালস্থ বাড়িতে। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোনোদিন থেমে থাকেনি ইয়াবা কারবার। তার লালিত স্থানীয় কিশোর গ্যাং ফারুক-সুমনের নেতৃত্বে দেদারছে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা কারবার। সম্প্রতি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার পোস্টারে বার্ষিক সভায় বিশিষ্ট সমাজসেবক হিসেবে নাম লেখিয়ে আবারো আলোচনায় ইয়াবা নফর। ২০১২ সালের দিকে মৌলবী আক্তার হোসেনের মালিকানাধীন কয়েক একর জোরপূর্বক দখল করে প্লট বিক্রি করে বিপুল টাকার মালিক হয় ইয়াবা নফর। কালো টাকার কাছে বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে ইয়াবা গডফাদার নফর। তৎকালীন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শতাধিক পুলিশ সদস্য নিয়ে একাধিক অভিযান করেও তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এলাকার সচেতন মহল ইয়াবা গডফাদার নফরের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবি করেন।













