
বার্তা পরিবেশকঃ
সাম্প্রতিক সময়ে ‘কক্সবাজারওয়ার্ল্ড ডটকম’, ‘আলোকিত উখিয়া’ সহ একাধিক অনলাইন পোর্টালে আমাকে এবং আমার পরিবারকে জড়িয়ে একাধিক মিথ্যা, চরম অসত্য, মানহানিকর, আপত্তিকর সংবাদ পরিবেশন করা হয়েছে। তথ্যবিহীন এসব সংবাদ নির্লজ্জ মিথ্যাচারে ভরপুর। যা অপসাংবাদিকতার শামিল। মূলত আমার সাথে বাড়ির পার্শবর্তী এক ব্যক্তির সাথে আমার সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এনিয়ে ওই ব্যক্তি আমার নারিকেল গাছ হেলে পড়ায় তার বাড়ির লোকজন প্রাণঝূঁকিতে আছে মর্মে একটি হাস্যকর সংবাদ প্রকাশ করে। ওই সংবাদ প্রকাশের পূর্বে কক্সবাজার খরুলিয়া এলাকার মাদক ব্যবসায়ি হিসেবে পরিচিত কথিত সাংবাদিক আমার কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ দাবি করেন। এমনকি টাকা না দিলে আমাকে জড়িয়ে ধারাবাহিক মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের হুমকী দেয়।
সংবাদ প্রকাশের পরও ওই প্রতিবেদক আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হুমকী-ধমকি দিয়ে ফের চাঁদা দাবি করেন। আমরা তার চাহিদা মতো চাঁদা দিতে অপরাগতা জানালে এসব অনলাইন পোর্টালে আমাকে এবং আমার পরিবারকে জড়িয়ে আপত্তিকর সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। এসব সংবাদে আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ি, আবার কখনো বনের গাছ লুটপাটকারী, কখনো অস্ত্র ব্যবসায়ি, কখনো চুরি-ডাকাতির মতো অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত আছি মর্মে আপত্তির তথ্য প্রকাশ করেছে। যা পড়ে সচেতন জনমনে হাস্যরস ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
আমাকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদসমূহের শিরোনামগুলোও ছিলো আতংকিত হওয়ার মতো। যেমন-‘রামুর জোয়ারিয়ানালায় ৩টি নারিকেল গাছ, এক দিনমজুর পরিবারের আতঙ্ক’, ‘জোয়ারিয়ানালার ত্রাস ইয়াবা চোরাচালানের গড়ফাদার জসিম চিহ্নিত’, ‘জোয়ারিয়ানালার ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসায়ি জসিম বেপরোয়া’ এবং ‘ইয়াবা ব্যবসায়ি জসিমের নেতৃত্বে জোয়ারিয়ানালায় চলছে বন ধ্বংসের মহোৎসব’। এসব সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যেসব কল্পকাহিনী রচিত হয়েছে তার কোন সঠিক তথ্য সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ি, অস্ত্র ব্যবসায়ি, বনসম্পদ লুটপাটকারি বানানো হয়েছে। অথচ আমার বিরুদ্ধে কোন মামলা দূরের কথা থানায় কোন জিড়িও নেই।
মূলত কয়েক দফা দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ার জেরে কক্সবাজারের খরুলিয়া এলাকার ওই কথিত সাংবাদিক আমাকে জড়িয়ে এসব মিথ্যা, মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে জড়িত হলুদ সাংবাদিক সহ সংশিষ্টদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি। আমি এসব বানোয়াট সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি এবং এ ধরনের অপসাংবাদিকতা রুখে দিয়ে সাংবাদিকতার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।প্রতিবাদকারী
জসিম উদ্দিন, পিতা-আলী আহমদ
হালদারপাড়া, জোয়ারিয়ানালা, রামু।
সংবাদ প্রকাশের পরও ওই প্রতিবেদক আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হুমকী-ধমকি দিয়ে ফের চাঁদা দাবি করেন। আমরা তার চাহিদা মতো চাঁদা দিতে অপরাগতা জানালে এসব অনলাইন পোর্টালে আমাকে এবং আমার পরিবারকে জড়িয়ে আপত্তিকর সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। এসব সংবাদে আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ি, আবার কখনো বনের গাছ লুটপাটকারী, কখনো অস্ত্র ব্যবসায়ি, কখনো চুরি-ডাকাতির মতো অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত আছি মর্মে আপত্তির তথ্য প্রকাশ করেছে। যা পড়ে সচেতন জনমনে হাস্যরস ও ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
আমাকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদসমূহের শিরোনামগুলোও ছিলো আতংকিত হওয়ার মতো। যেমন-‘রামুর জোয়ারিয়ানালায় ৩টি নারিকেল গাছ, এক দিনমজুর পরিবারের আতঙ্ক’, ‘জোয়ারিয়ানালার ত্রাস ইয়াবা চোরাচালানের গড়ফাদার জসিম চিহ্নিত’, ‘জোয়ারিয়ানালার ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসায়ি জসিম বেপরোয়া’ এবং ‘ইয়াবা ব্যবসায়ি জসিমের নেতৃত্বে জোয়ারিয়ানালায় চলছে বন ধ্বংসের মহোৎসব’। এসব সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যেসব কল্পকাহিনী রচিত হয়েছে তার কোন সঠিক তথ্য সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। আমাকে ইয়াবা ব্যবসায়ি, অস্ত্র ব্যবসায়ি, বনসম্পদ লুটপাটকারি বানানো হয়েছে। অথচ আমার বিরুদ্ধে কোন মামলা দূরের কথা থানায় কোন জিড়িও নেই।
মূলত কয়েক দফা দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ার জেরে কক্সবাজারের খরুলিয়া এলাকার ওই কথিত সাংবাদিক আমাকে জড়িয়ে এসব মিথ্যা, মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে জড়িত হলুদ সাংবাদিক সহ সংশিষ্টদের বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলা করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি। আমি এসব বানোয়াট সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি এবং এ ধরনের অপসাংবাদিকতা রুখে দিয়ে সাংবাদিকতার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।প্রতিবাদকারী
জসিম উদ্দিন, পিতা-আলী আহমদ
হালদারপাড়া, জোয়ারিয়ানালা, রামু।













