
টেকনাফ প্রতিনিধিঃ
টেকনাফে পাহাড়ে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ডাকাত ও র্যাব-১৫ এর সদস্যদের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনায় রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার নিহত এবং দুই র্যাব সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল হতে দেশী-বিদেশী অস্ত্রাদি ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
সুত্র জানায়, ৫আগষ্ট (বৃহস্পতিবার) রাতের প্রথম প্রহরের দিকে কক্সবাজার র্যাব-১৫ (সিপিসি-১) টেকনাফ ক্যাম্পের চৌকষ একটি আভিযানিক দল অপহরণ ও ডাকাতির গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলার দমদমিয়ার পাহাড়ি এলাকায় যায়। এসময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দল র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে র্যাবের সিপিএ মোঃ ইয়াহিয়া (৩০) এবং কনস্টেবল মোঃ মাহফুজুল আলম (২৮) আহত হয়। এরপর র্যাবও সরকারী সম্পদ এবং আতœরক্ষার্থে কিছুক্ষণ পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে ডাকাত দল নিরুপায় হয়ে পিছু হটলে ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ৩টি দেশীয় তৈরী লম্বাবন্দুক, ১টি বিদেশী পিস্তল, ২ রাউন্ড বুলেটসহ নয়াপাড়া মোছনী ২৬নং ক্যাম্পের সি-ব্লকের মৃত আবুল বশর আহমদের পুত্র ডাকাত সর্দার নুরুল হক ওরফে নুরু (৪৫) কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে।
এরপর আহত দুই র্যাব সদস্য এবং গুলিবিদ্ধ ডাকাত সর্দারকে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত গুলিবিদ্ধ ডাকাত সর্দারকে মৃত ঘোষণা করে এবং আহত দুই র্যাব সদস্যকে চিকিৎসা প্রদান করেন। ভোরে মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া এন্ড অপারেশন্স) সিনিয়র এএসপি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান, টেকনাফের দমদমিয়া পাহাড়ি এলাকায় র্যাব-ডাকাত বন্দুকযুদ্ধে এক ডাকাত সর্দার নিহত ও দুই র্যাব সদস্য আহত হয়েছে। ঘটনাস্থল হতে দেশী-বিদেশী অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এই ব্যাপারে পৃথক মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।













