
নিজস্ব প্রতিবেদক:
রামুতে বিয়ে বাড়ী থেকে দিন দুপুরে রোহিঙ্গা যুবক কতৃক ৮ম শ্রেনীর এক ছাত্রী অপহরন হয়েছে।
অপহরনের ৩ দিন পার হলেও এখনো উদ্ধার করা যায়নি। গত ৪ জানুয়ারী দুপুরে এ অপহরনের ঘটনা ঘটে।
জানাগেছে ওইদিন উপজেলার পুর্ব মনিরঝিল গ্রামের সৌদী প্রবাসী রমজান আলীর কন্যা হাকিম রকিমা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্রী উম্মে সালমা তার এক কমিউনিটি সেন্টার থেকে আত্বীয়ের সাথে চৌমুহনী স্টেশনে বিউটি পার্লারে যাচ্ছিলো,
এসময় পুর্ব কাউয়ারখোপ মৈষকুম বনরুপা পাড়ার রোহিঙ্গা নাগরীক মিয়া হোসেন ওরফে বোবার পুত্র সিরাজুল মোস্তফা উম্মে সালমাকে অপহরন করে নিয়ে যায়।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার রামু থানায অভিযোগ করলে গত ৫ জানুয়ারী বিকেলে এস,আই জহিরের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযুক্ত রোহিঙ্গা পরিবারের মৈষকুমস্হ বাড়ীতে গিয়ে ওই ছাত্রীকে হাজির করে দিতে ছাপ প্রয়োগ করে। এদিকে অপহরনকারী যুবক আমিনা খাতুন তার ছেলে কর্তৃক ছাত্রী অপহরনের ঘটনা স্বীকার করেন তবে তার ছেলের সাথে ওই ছাত্রীর সম্পর্ক রয়েছে বলে ও দাবী করেন।
সরজমিন পরিদর্শনে জানাগেছে গত ৪/৫ বছর পুর্ব থেকে রোহিঙ্গা নাগরীক মিয়া হোসেনের পরিবার পুর্ব কাউয়ারখোপ মৈষকুম বনরুপা পাড়ায় এসে সরকারী জায়গায় পাহাড় কেটে বাড়ী নির্মান পুর্বক অবৈধভাবে বসতি স্হাপন শুরু করে,
এলাকা বাসী জানান ইতিপুর্বে ওই রোহিঙ্গা বাড়ীতে নানা রকম অপকর্ম চালিয়ে আসছিলো,
গত মাসে ও ঢাকা থেকে এক মেয়ে এনে ওই বাড়ীতে রেখে ষ্ট্যাম্পমুলে একযুবকের সাথে বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর বাধা দেয়।পরে স্হানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের ছাপে
ওই মেয়ে কে সরিয়ে ফেলা হয়।
এব্যাপারে ভুক্তভোগি পরিবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন













