প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

0
5

শুক্রবার, ১৭ জুন দৈনিক কক্সবাজার সহ বিভিন্ন টিভি চ্যানেল ও অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে ‘রামুতে মুক্তিযোদ্ধা পিতার সমাধি জবর দখলের চেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন ছেলে’ শীর্ষক সংবাদ সমূহ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদসমূহ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, সাজানো, উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক। শ্মশান দখলের কোন ঘটনা এখানে ঘটেনি। তাছাড়া সংবাদ উল্লেখিত বসন্ত কুমার ধর মুক্তিযোদ্ধাও নন।
মূলত আমি দুলাল ধর বসন্ত কুমার ধরের ১ম পুত্র জয়ন্ত কুমার ধরের কাছ থেকে ৫ কড়া জমি ক্রয় করি। জয়ন্ত কুমার ধরের ১০ কড়া জমি রয়েছে। এরমধ্যে শ্মশান এর ৫ কড়া জমি বাদ দিয়ে অবশিষ্ট ৫ কড়া জমি আমি ক্রয় করি এবং তাতে আমি সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছি। এখানে শ্মশান দখলের প্রশ্নই উঠে না।
ছেলে জয়ন্ত কুমার ধর আমাকে জানিয়েছেন- তার বাবা বসন্ত কুমার ধর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। এমনকি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কোন তালিতেও তার নাম নেই। তাই অহেতুক তার বাবা বসন্ত কুমার ধরকে সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দেয়াটা খুবই দুঃখজনক। তাছাড়া বসন্ত কুমার ধর মুক্তিযুদ্ধকালীন বার্মার তুমব্রæ এলাকায় ছিলেন। এমনকি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বসন্ত কুমার ধর শারীরিকভাবে চলাফেলায় অক্ষম ছিলেন। জয়ন্ত কুমার ধর তৎকালীন রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকাকালে নিজের আয়ের অর্থ দিয়ে জয়ন্ত কুমার ধর ১৯৭৬ সালের ১৯ নভেম্বর পিতা বসন্ত কুমার ধর এর নামে এ জমি ক্রয় করেন। ১৯৮৪ সালে বসন্ত কুমার মারা যান।
মূলত জয়ন্ত কুমার ধরের পৈত্রিক সম্পদ কৌশলে জবর-দখলের উদ্দেশ্যে তারই ছোট ভাই রতন কুমার ধর গত বৃহষ্পতিবার, ১৬ জুন কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আমার (দুলাল ধর) বিরুদ্ধে নানা ধরনের আপত্তিকর ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করে অপপ্রচার চালান।
আমি এসব মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও এসব মিথ্যা অপপ্রচারে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ সকলকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

প্রতিবাদকারী:
দুলাল ধর, পিতা- যতীশ চন্দ্র সেন
পশ্চিম উমখালী, ধরপাড়া, দক্ষিণ মিঠাছড়ি, রামু।

আগেওয়ালটন প্রথম জাতীয় বিচ ডজবলে পুরুষে পুলিশ ও নারীতে আনসার চ্যাম্পিয়ন
পরেচট্টগ্রামে পাহাড় ধসে নি*হত ৪