রামুতে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে গাছপালা কেটে জমি দখলের চেষ্টা চালালেন বাদী নিজেই!

0
3

নিজস্ব প্রতিনিধি, রামু
রামুর ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের পশ্চিম মেরংলোয়া গ্রামে বিজ্ঞ আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা নেয়ার পর বাদী নিজেই অন্যের স্বত্ত্বদখলীয় জমিতে ভাংচুর ও গাছপালা কর্তন করেছেন। শুক্রবার, ১৯ আগস্ট রাতে মৃত আহমদ হোছনের ছেলে হাজী শফিউল আলমের জমিতে এ তান্ডব চালানো হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত শফিউল আলম জানিয়েছেন- তার বাড়ির পার্শ্ববর্তী নিজের ক্রয়কৃত জমিতে তিনি দীর্ঘদিন সুপারী গাছ রোপন, একাংশে ধান চাষ এবং ঘেরা-বেড়া দিয়ে ভোগ-দখল করে আসছিলেন। সম্প্রতি একই এলাকার মৃত উলা মিয়ার ছেলে আবুল কাসেমের নেতৃত্বে একটি ভূমিগ্রাসী চক্র জমিটি জবর-দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিলো। বিভিন্ন সময়ে জমি জবর-দখলের ব্যর্থ হয়ে আবুল কাসেম সম্প্রতি কক্সবাজার বিজ্ঞ আদালতে এমআর মামলা (নং ১৫০৬/২২) করেন। মামলায় বিজ্ঞ আদালত এ জমিতে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেন। কিন্তু বাদী নিজেই এ নির্দেশ উপেক্ষা করে শুক্রবার রাতে পরিকল্পিতভাবে জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে বিপুল পরিমান সুপারী গাছ ও ধান ক্ষেত গুড়িয়ে দেয়। এছাড়া জমি ঘেরা-বেড়া তছনছ করে। আবুল কাশেম ছাড়াও তার ছেলে ওসমান গনি, আবছার কামাল, নুরুল কবির সহ আরো কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি এ ঘটনা সংগঠিত করে।
শফিউল আলমের ছেলে রমজান আলী জানান- আকষ্মিক ও পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পরই তিনি রামু থানাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এরআগে উভয়পক্ষকে জমিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য নোঠিশ দেন রামু থানার এসআই মো. মঞ্জু।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নেয়ার জন্য অভিযুক্ত আবুল কাশেমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
রামু থানার এসআই মো. মঞ্জু জানান- গাছপালা কাটার ও ভাংচুরের বিষয়টি শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাননি। পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আগেমার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিএনপির গোপন বৈঠক!
পরে২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে রামুতে আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা