রামুতে রাজারকুল বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ

0
10

স্টাফ রিপোর্টার,রামু
রামুতে রাজারকুল বিট কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত রাজারকুল ইউনিয়নে প্রতিযোগীতা মুলকভাবে বনভূমি দখল, নির্বিচারে উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চলের গাছ। এদিকে রাজারকুল রেঞ্জের সদর বিট কর্মকর্তা জহিরুল ইসলামের প্রত্যক্ষ পরোক্ষ পৃষ্টপোষকতায় এসব অনিয়ম-অসঙ্গতি চলছে বলে স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজারকুল রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম প্রায় ১৫ মাস আগে এ বিটের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশের বিপর্যয় ঘটছে। বিট কর্মকর্তার অনিয়ম ও ঘুষ বানিজ্যের কারণে সংরক্ষিত ওই এলাকায় অবাধে গাছপালা কাটায় জীববৈচিত্র্যের অভয়াশ্রম হুমকির মুখে পড়ছে। নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধি জানান, তার এলাকায় দীর্ঘদিন বসবাসরত মানুষের জরাজীর্ণ ঘর মেরামত কিংবা নতুন ঘর স্থাপন করতে গেলেই বিট কর্মকর্তাকে দিতে হয় ৩০-৬০ হাজার টাকা। কোন কোন ক্ষেত্রে দিতে হয় এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা।
কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার উপর শুরু হয় এ্যাকশান। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে ঠুকে দেয়া হয় একাধিক মামলা।
বিট কর্মকর্তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে বাড়ি ঘর থেকে উচ্ছেদের ভয় দেখিয়ে এলাকার দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে নিয়মিত ঘুষ আদায় করে আসছেন। এছাড়াও বন-বিভাগের উটলড বাগান রয়েছে তাও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে টাকার বিনিময়ে।তার বিরুদ্ধে মুখ খুলাও বারন। টাকা দিয়েও মুখখোলার অপরাধে চাপে রাখতে আসামী হয়েছেন অনেকেই।
ঐ জনপ্রতিনিধি আরো জানায়, বনভূমির পাদদেশে খতিয়ানভূক্ত জমিতে বাড়ি ঘর করতে চাইলে নানা অজুহাতে জমির মালিকদের কাছ থেকে বিট কর্মকর্তা জহির উৎকোচ দাবী করেন বলে একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ রয়েছে। এদিকে বিট কর্মকর্তার অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থের একটি অংশ চলে যায় তার উর্ধতন এক কর্মকর্তার পকেটে। তার সহযোগিতায় বিট কর্মকর্তা সকল প্রকার অপকর্ম করে পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এব্যাপারে রাজারকুল বিট কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে তার বিরুদ্ধে একটি মহলের ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন।

 

আগেগর্জনিয়ার দুই শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে পেল স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ
পরেকক্সবাজার জেলা গাউসিয়া কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত