রামুতে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু’র পাদুর্ভাব এড়াতে স্বাস্থ্য বিভাগের ব্যাপক প্রস্তুতি

0
9

 

কামাল হোসেন, রামু :
রামুতে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগের পাদুর্ভাব এড়াতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। নিয়া হয়েছে নানান কর্মসূচী। এখন চলছে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুর মৌসুম। বর্ষায় এ রোগের পাদূর্ভাব বেশি হয়ে থাকে। “ম্যালেরিয়া নির্মূলের এখনই সময় – প্রয়োজন সঠিক বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও বাস্তবায়ন” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু সংক্রমণ এড়াতে মাঠ পর্যায়ে কতৃপক্ষের নির্দেশনা মুতাবেক নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

কক্সবাজার জেলায় ম্যালেরিয়া সংক্রমিত এলাকার মধ্যে রামু অন্যতম। এ উপজেলাটি পার্বত্য এলাকা নাইক্ষ্যংছড়ির সাথে লাগোয়া হওয়াতে এখানে ম্যালেরিয়ার পাদূর্ভার একটু বেশি। যাতায়াত ব্যাবস্থার তারতম্যের কারনে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অনেক রোগী রামুতে চিকিৎসা নিয়ে থাকে। সে কারনে রামুতে ম্যালেরিয়া সনাক্তের হার জেলার অন্যান্য উপজেলার চেয়ে তুলনামূলক বেশি। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে ২০২২ সালে কক্সবাজার জেলায় সনাক্তকৃত ৮৩৭ জন ম্যালেরিয়া রোগীর মধ্যে রামু উপজেলার ছিলো ২২৬ জন। যা জেলায় সর্বোচ্চ। গতবছর জেলায় এ রোগে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের দু’জন রামু উপজেলার অধিবাসী। যার কারনে আগে বাগে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ নোবেল কুমার বড়ুয়া প্রতিবেদককে জানান, রামু উপজেলাটি বেশিভাগ এলাকা পাহাড়ি এবং পার্বত্য উপজেলা নাইক্ষ্যছড়ির সাথে লাগোয়া হওয়ায় এখানে ম্যালেরিয়ার সংক্রমণ একটু বেশি। বিশেষ করে গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন দুটোতে সংক্রমণের হার তুলনামূলক ভাবে বেশি। এর কারন হচ্ছে এ এলাকার মানুষগুলো খুবই অসচেতন। মশারী ব্যবহারে অব্যস্ত নই। এ দুই ইউনিয়নে আমাদের কার্যক্রম আরো জোরদার করা হয়েছে। বিনামূল্যে কিটনাশক যুক্ত মশারী বিতরণ শুরু করেছি। ইতিমধ্যে ১০ হাজার বিতরন করা হয়ে গেছে। আরো ১০ হাজারের মতো বিতরণ করা হবে। আমরা সবখানে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করে সতর্ক বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি। জ্বর আক্রান্ত রোগীকে স্বাস্থ্য কর্মীরা ঘরে গিয়ে সেবা প্রদান সহ সংক্রমিত রোগীকে বিলম্বিত না করে হাসপাতালে নিয়ে আসতে সহায়তা করছেন। কমিউনিটি ক্লিনিক গুলোতে রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত ম্যালেরিয়া সনাক্তকারী কিট। এ রোগের পাদূর্ভাব এড়াতে আমাদের একটি টিম মাঠ পর্যায়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সব বিভাগে ২৪ ঘন্টা এ রোগ নির্নয়ের পরীক্ষা চালু রাখা হয়েছে। ভীত না হয়ে সচেতন হলেই ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তাই সবাইকে মশারী ব্যাবহার,বাসা বাড়ির আঙ্গিনা পয় পরিষ্কার সহ যেখানে সেখানে পানি জমিয়ে না রাখার আহবান জানান এ কর্মকর্তা।

 

আগেরামুতে অনুর্ধ্ব-১৭ বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবলে বিজয়ী ফতেখাঁরকুল ও দ: মিঠাছড়ি ইউনিয়ন 
পরেরামু আল-ইহসান ইসলামিক সেন্টারের প্রথম বর্ষপূর্তি উদ্যাপন