এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও
সদরের ঈদগাঁওর সড়ক উপসড়কে যত্রতত্র যানবাহন পার্কিং ও নিয়ম না মেনে যাত্রী উঠা নামানোর ফলে বিপর্যস্থ হয়ে পড়ে জন জীবন। শিক্ষার্থীরা চলাফেরা করছে ঝুঁকির মধ্যে। যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং ও যানবাহন রাখার নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় তারা যেন তেন ভাবে চট্রগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসষ্টেশনের উপর যাত্রী উঠা নামা করেন। যাতে করে,মহাসড়কের খোদাই বাড়ী স্থ মাদ্রাসা থেকে কলেজ গেইট পর্যন্ত প্রায়শ দীর্ঘ যানজট লেগে যায়। জনদূর্ভোগে পড়ে সাধারন মানুষ।
ষ্টেশনের কজন পথচারী কক্সবাজার প্রতিদিনকে জানান, ঈদগাঁও বাসষ্টেশনের ঈদগড় রাস্তার মাথা,ডিসি সড়কের রাস্তার মোড়ে যান জটের অবস্থা প্রায়শ ভয়াবহ থাকে। এখানে ফুটপাত দখল করে সারিবদ্ব সিএনজি,মাইক্রোবাস,টমটম,মাহিন্
ঈদগাঁওর মহাসড়কের পাশে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রতিদিন যাতায়াত করে থাকে শত শত শিক্ষার্থী। এমনকি তাদেরকে চরম ঝুঁকির মধ্যদিয়ে মহাসড়ক পার হয়ে শিক্ষা ঙ্গনে যেতে হয়। শিক্ষা প্রতিষ্টানের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের মত ঘটনাও ঘটেছে।
মহাসড়কের ঈদগাঁও ষ্টেশন পয়েন্টে সড়ক ভাল না হওয়ায় নানা পরিবহন চালকরা তাদের গাড়ি চালায় হেল-দুলে। এটি ষ্টেশনবাসীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক। আবার হাইড্রোলিক হর্নের আওয়াজ ব্যবসায়ী,শিক্ষার্থী,রোগী,সাধা
দেখা যায়,সড়কে যানবাহন চলাচলের সময় গাড়ী ওভারটেক করার প্রবণতার ফলে মহা সড়কসহ সড়ক উপসড়কগুলোর বিভিন্ন স্থানে কোন না কোন দূর্ঘটনায় শিকার হয় যাত্রীরা। সে সাথে যানচলাচলে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সড়ক প্রশস্থ আর ডিভাইডার দিলে হয়তো এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।
সচেতন মহলের মতে,চলাচল জায়গা সংকীর্ণ ও ফুটপাতের কারনে এহেন অবস্থার সৃষ্টি বলে জানান। অবৈধ ইজিবাইক ও ব্যাটারি চালিত রিক্সা বন্ধ করা গেলে যানজট কমে যাবে।













