টেকনাফের পাহাড়ে মিলল হাকিম ডাকাতের স্ত্রী ও ভাইয়ের মরদেহ

0
25

টেকনাফ প্রতিনিধি : টেকনাফে পাহাড়ী এলাকা থেকে নারীসহ গুলিবিদ্ধ দুই রোহিঙ্গার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাইট্যং পাহাড়ের গহীন এলাকা থেকে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করা হয় বলে জানান কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন।

নিহতরা হল, টেকনাফের সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সর্দার ও তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আব্দুল হাকিমের স্ত্রী রুবিনা আক্তার (৪০) এবং তার ভাই কবির আহমদ (৩৮)।

পুলিশের ধারণা, ডাকাতদলের ২ গ্রুপের মধ্যে দ্বন্ধের জেরে এ খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২০ বছর আগে চিহ্নিত ডাকাত আব্দুল হাকিমের পরিবার মিয়ানমার থেকে পালিয়ে টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নেয়। পরে সে নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়লে পরিবারসহ নাইট্যং পাহাড়ের গহীন এলাকায় আস্তানা গড়ে তুলে বসবাস শুরু করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় টেকনাফের নাইট্যং পাহাড়ের গহীন এলাকায় ২ টি মৃতদেহ পড়ে থাকার স্থানীয়দের খবরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে সেখানে পৌঁছে পুলিশ নারীসহ ২ জনের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।

“ নিহতরা ২ জনই সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সর্দার এবং তালিকাভূক্ত শীর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ও তার ভাই। হাকিমসহ তারা নাইট্যং পাহাড়ের গহীন এলাকায় আস্তানা গড়ে তুলে পরিবার নিয়ে বসবাস করতো। পুলিশের ধারণা, ডাকাতদলের ২ গ্রুপের মধ্যে দ্বন্ধের জেরে এ খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ”

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত আব্দুল হাকিমের বিরুদ্ধে নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরের আনসার ক্যাম্প লুটসহ ডাকাতি, অপহরণ, হত্যা, মাদকপাচার ও মানবপাচারসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় ২ ডজনেরও বেশী মামলা রেেয়ছে। সে নাইট্যং পাহাড়ের গহীন এলাকায় আস্তানা গড়ে তুলে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।

নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ইকবাল।

আগেহজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ, মিনায় যাবেন যাত্রীরা
পরেঈদগড়ে পুলিশের অভিযানে মদসহ এক নারী আটক