পেকুয়ায় বাল্য বিয়ে ঠেকালো ইউএনও

0
6

নাজিম উদ্দিন,পেকুয়া

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বাল্য বিয়ে পন্ড করলেন ইউএনও। ১০ম শ্রেনীর স্কুল ছাত্রীকে বিয়ের পিড়িঁতে বসায় পরিবার। খবর পেয়ে পেকুয়ার ইউএনও ছাঈকা শাহাদত ওই বিয়ে পন্ড করেন।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের কাছারীমুরা এলাকায় বাল্য বিয়ে পন্ড হয়েছে।

স্থানীয়সুত্র জানায় ওইদিন দুপুরে বারবাকিয়া হোসনে আরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্রী রাজিফা মোস্তফা বিয়ের আনুষ্টানিকতা চলছিল। রাজিফা মোস্তফা ওই এলাকার মৃত.মনজুর আলমের মেয়ে। বর কাছারীমুরা তিনঘর পাড়ার বাসিন্দা। নাম জানা যায়নি।

পারিবারিক সম্মতিতে বর ও কনের বিয়ের আয়োজন হয়। কনে স্কুল ছাত্রী। তবে বর প্রাপ্ত বয়স্ক।

প্রবাসি পাত্র হওয়ায় ওই ছাত্রীকে অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ের পিড়িঁতে বসাতে চাপ প্রয়োগ করে। ধুমধাম বিয়ের আয়োজন চলছিল। বৈরাত যাত্রী বউ নিতে যথা সময়ে কনের বাড়িতে হাজির হয়। আপ্যায়নও চলছিল।

তবে বাধ সাধে পেকুয়ার নারী ইউএনও। তিনি কিছুতেই ওই বাল্য বিয়ে মেনে নেয়নি। বিয়ে পন্ড করতে কনের বাড়িতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হোসাইনকে পাঠান। চেয়ারম্যান গ্রাম পুলিশ নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে ওই বিয়ে বন্ধ করেছেন।

হোসনে আরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা আলী জানায় মেয়েটি ১০ম শ্রেনীর বানিজ্য বিভাগের মেধাবী ছাত্রী। বিয়ের বিষয়টি আমি জেনেছি। প্রশাসনের উধ্বতন মহলে অবহিত করেছি। আসলে ভাল লাগল। ইউএনও ম্যাডাম হস্তক্ষেপ করে ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে।

পেকুয়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আ.ফ.ম হাছান জানায়, বাল্য বিয়ে ঠেকাতে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে নির্দেশনা দিয়েছি।

শিলখালী ইউপির চেয়ারম্যান নুরুল হোসাইন জানায় ইউএনও ম্যাডাম বাল্য বিয়েটি বন্ধ করতে মুঠোফোনে জানায়। গ্রাম পুলিশ নিয়ে দুপুরে ওই বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছি।

পেকুয়ার ইউএনও ছাঈকা শাহাদত জানায়, বাল্য বিয়ে বন্ধ করতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও চেয়ারম্যানকে বলেছি। কনের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের আনুষ্টানিকতার ছবি তোলে চেয়ারম্যানকে পাঠাতে বলেছি। প্রয়োজনে পুলিশও পাঠাব। কিছুতেই বাল্য বিয়ে হতে দেয়া যাবেনা।

আগেঈদগাঁওতে হাজী আবদুল করিমের মৃত্যু : জানাযায় শোকার্ত মানুষের ঢল
পরেবাংলাদেশ-আফগানিস্তান যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন