দুর্গম এলাকায় হবে আবাসিক স্কুল: প্রধানমন্ত্রী

0
3

কক্সবাজার খবর (সিবিকে) ডেস্ক : 

দুর্গম এলাকায় আবাসিক স্কুল স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, শিশুদের যেন হেঁটে হেঁটে অনেক দূরের পথ পাড়ি দিতে না হয়, সেজন্য কোন এলাকার কোন জায়গায় আবাসিক স্কুল করলে শিশুরা পড়তে পারবে, সে বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে।

বুধবার দুপুরে গণভবনে ২৭৩০টি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত ঘোষণার সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

দুর্গম এলাকায় এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে নীতিমালা কিছুটা শিথীল করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হাওর-বাওড়, চর, দুর্গম এলাকা বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় মাইলের পর মাইল হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। সেখানে এমপিওভুক্তির নীতিমালা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে, যাতে ওই অঞ্চলের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়ার সুযোগ পায়। সেই সঙ্গে আমার একটা নির্দেশ আছে ওসব এলাকায় আমরা বেশিরভাগ আবাসিক স্কুল করে দিতে চাই।’

‘কারণ ওইসব পাহাড়ি পথ বেয়ে বেয়ে দিনে স্কুলে আসে আবার বাড়ি ফিরতে খুব কষ্ট হয়ে যায়। আবার হাওর এলাকায় বিশাল বিশাল জলরাশিতে নৌকায় করে পার হয়ে স্কুলে যায় আবার আসে। কখনো দুর্ঘটনা হয়, নৌকাডুবি হয়ে অনেক শিক্ষার্থীর জীবন যায়। এসব বিবেচনা করে ধীরে ধীরে আবাসিক স্কুল করব। যাতে ওখানে থেকেই পড়াশোনা করতে পারে। সেই সুযোগটা আমরা দিতে চাই।’

মানসম্মত শিক্ষায় গুরুত্বারোপ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘শিক্ষিত জাতিই পারে ক্ষুধামুক্ত দেশ গড়তে। প্রাথমিক পর্যায় থেকে যদি মানসম্মত এবং ভালোমানের শিক্ষা না দিতে পারি তাহলে আমাদের জাতি ভালোভাবে গড়ে উঠবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, যত্রতত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠলে শিক্ষার মানের ঘাটতি থাকে। তাই আমরা নীতিমালা তৈরি করলাম। এমপিওভুক্তকরণের জন্য  শিক্ষকরা আন্দোলন করেছেন। আর আমরা বলেছি সবই করব আর তা হবে নীতিমালার ভিত্তিতেই। কারণ আমরা শিক্ষাকে গুরুত্ব দেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নীতিমালা করা এবং সে অনুযায়ী স্কুলগুলোর যাচাই-বাছাই করতে কিছু সময় লেগেছে। যাচাই-বাছাই করে আমরা ২ হাজার ৭৩০ প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করেছি। আগামীতে যারা এমপিওভুক্ত হতে চান, তাদের অবশ্যই নীতিমালার নির্দেশনা পূরণ করতে হবে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘ইচ্ছে হলো কিংবা রেশারেশির বা রাজনৈতিক কারণে স্কুল তৈরি হয়। এমপিওভুক্ত বা সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির শিক্ষকদের টাকা প্রতিষ্ঠানে চলে যেত। আমরা ঠিক করলাম যার যার বেতন তার তার কাছে যাবে। পে-অর্ডারের মাধ্যমে টাকা পৌঁছে যাবে। এরপর মাসিকভিত্তিতে যখন টাকা পাঠালাম, তখন ৬০ হাজার শিক্ষককে আর পাওয়া গেল না।’

এর আগে নতুন ২৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : ঢাকাটাইমস/২৩ অক্টোবর

আগেমুক্তিপণ আদায়ে ব্যর্থ হয়ে টেকনাফে অপহৃত ছাত্রীদের ফেরত
পরেপেকুয়ায় র‌্যাবের হাতে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গুলিসহ দুই শীর্ষ ডাকাত আটক