
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে সন্দেহভাজন ৪০ জন রোগীর করোনা ভাইরাস টেষ্ট করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশিত ওই ৪০ জনের রিপোর্টে নেগেটিভ এসেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. অনুপম বড়ুয়া।
তিনি বলেন, গত ২০ দিনে মোট ৪৯৭ জন সন্দেহভাজন রোগীর করোনা ভাইরাস টেষ্ট করা হয় কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে স্থাপিত ল্যাবে। তারমধ্যে ৫ জনের রিপোর্ট করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। এদের মধ্যে গত রোববার (১৯ এপ্রিল) মহেশখালীতে ৩ জন ও টেকনাফে ১ জন রোগী শনাক্ত হয়। এর আগে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম কোনারপাড়ায় তাবলিগ ফেরত এক ব্যক্তির করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়।
প্রফেসর ডা. অনুপম বড়ুয়া আরও বলেন, গতকাল সোমবার কক্সবাজারের ৮টি উপজেলা, পার্বত্য জেলা বান্দবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা, উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয় শিবির থেকে মোট ৪০ জনের সন্দেহভাজন ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তবে মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশিত সন্দেহভাজন এই ৪০ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ।
এদিকে কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, আমরা প্রতিদিনই কক্সবাজারের ৮টি উপজেলা, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হতে সন্দেহভাজন ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে থাকি। পরবর্তীতে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে ল্যাবে তা টেষ্ট করা হয়। এখন আমরা বিশেষ করে; বেশি বেশি সন্দেহভাজন ব্যক্তির টেষ্ট করার চেষ্টা করছি। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ ল্যাবে প্রতিদিন ৯৬ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু উপজেলাগুলো হতে পর্যাপ্ত পরিমাণ নমুনা আসছে না।
তিনি আরও জানান, প্রতিদিনই রাত ৮টার মধ্যে কক্সবাজারের ৮টি উপজেলাসহ বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা হতে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর নমুনাগুলো পরীক্ষার পরই প্রতিবেদন ঢাকায় আইইসিডিআরে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে ওখান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। মঙ্গলবার কক্সবাজারের যে ৪০ জনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে, তাদের সবারই রিপোর্ট এসেছে ‘নেগেটিভ’।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবটিকে ঢাকাস্থ রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআর করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করেছে। পহেলা এপ্রিল থেকে ল্যাবটি চালু হয়েছে।-দৈনিক কক্সবাজার













