
আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ
ধর্মীয় স্বাধীনতার ক্ষেত্রে ভারতের পরিস্থিতি ভয়ানক ও উদ্বেগজনক বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (ইউএসসিআইআরএফ)। শুধু তাই নয়, ভারতের সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর ধর্মীয় স্বাধীনতা বিপন্ন বলে দেশটিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ইউএসসিআইআরএফ। মঙ্গলবার প্রকাশিত কমিশনের বার্ষিক রিপোর্টে একথা বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে, এ তালিকাভুক্ত দেশগুলোর রেকর্ড উন্নত না হলে তাদের মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হতে পারে। ইউএসসিআইআরএফের এ পর্যবেক্ষণকে খারিজ করে এর নিন্দা জানিয়েছে ভারত। রিপোর্টটিকে পক্ষপাতদুষ্ট অভিহিত করে নয়াদিল্লি বলেছে, মার্কিন কমিশনের মিথ্যে বিবরণের মাত্রা নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। আলজাজিরা।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইউএসসিআইআরএফ। এবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০১৯ সালে ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতির নাটকীয় অবনতি হয়েছে। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন ক্রমাগত বেড়েছে।’ বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন প্রণয়ন পরবর্তী ঘটনা প্রবাহ ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতার অবনতিতে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হয়। জাতিসংঘ ওই আইনকে ‘মৌলিকভাবে বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়েছে। তবে গত ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরের সময় আইনটিকে সমালোচনা করতে অস্বীকার করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারত ক্রমবর্ধমানভাবে মার্কিন মিত্র হয়ে উঠছে বলে মনে করেন অনেকেই। ইউএসসিআইআরএফের ভাইস চেয়ার নাদাইন মায়েনজা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক বিবেচনা করে নয় বরং স্বাধীনভাবে বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নাগরিকত্ব আইন ছাড়াও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের শক্ত হাতে দমন করে ভারত, যা সত্যিই বিপজ্জনক।-যুগান্তর













