সবজি ক্ষেতে মহেশখালীর ইউএনও!

0
7

সিবিকে ডেস্কঃ

সোস্যল মিড়িয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কৃষকের কাছ থেকে সবজি কিনে ইউএনও স্থানীয় কর্মহীন মানুষের কাছে বিতরণ করে দেওয়ার ছবিটি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশংসার জুয়ারে ভাসছেন মহেশখালী উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম।

মহেশখালী দ্বীপের কৃষক মমতাজ মিয়া ও রফিক উদ্দিন মাথায় হাত দিয়ে বসেছিলেন। কি করে তাদের ক্ষেতের উৎপাদিত মরিচ আর সবজি বিক্রি করা হবে। কারণ লকডাউনের কারণে যানবাহন চলাচল বন্ধ। আবার গ্রামের হাট-বাজারেও লোকসমাগম কম। তাই বেচা-কেনা তেমন হয় না। এই উপজেলায় করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের রাজুয়ার ঘোনা গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ হোসেন ও আবু বকর ছিদ্দিকী পতিত জমিতে মরিচ, ঢেড়স, চিচিঙ্গা, করলাসহ আরো হরেক রকমের সবজির চাষ করেছিল। প্রকৃতির আচরণ স্বাভাবিক থাকায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে। কিন্তু করোনাকালের লকডাউন দরিদ্র এই কৃষকদ্বয়কে পথে বসিয়ে দিয়েছে। কৃষক মমতাজ মিয়া ও রফিকের চিন্তার যেন শেষ নেই।

খবর পেয়ে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ছুটে যান ওই সব কৃষকের খেতে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১০ মণ সবজি এবং ৫ মণ কাঁচা মরিচ কৃষকদ্বয়ের নিকট থেকে নগদ টাকায় কিনে নেন। কৃষক মমতাজ এবং রফিক তাদের ক্ষেতের সবজি বিক্রি করতে পেরে তাদের খুশি আর কে দেখে। পরে নির্বাহী কর্মকর্তা এসব সবজি ও কাঁচা মরিচ স্থানীয় কর্মহীন মানুষের কাছে বিতরণ করে দেন। আজ শুক্রবার কৃষক মমতাজ ও রফিক সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, ‘ইউএনও স্যার আমাদের সবজি কিনে না নিলে এসব সবজি ক্ষেতেই পঁচে যেত। তদুপরি এমন রমজান মাসে এতগুলো মানুষও পেতেন না সবজি এবং কাঁচা মরিচ। আমরা এমন একজন স্যারের জন্য দোয়া করছি।’

 

 

এছাড়া ও প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে মেগা প্রকল্প অধ্যুষিত অঞ্চল উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ক্লান্তহীন ছুটছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামিরুল ইসলাম। বিশেষ করে সামাজিক দূরত্ব বজায়, হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত এবং মানুষকে ঘরে ফেরাতে মাঠে কঠোরভাবে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।-সিপ্লাস

আগেকক্সবাজারে শুক্রবার সদর ও টেকনাফের ২ করোনা রোগী সনাক্ত
পরেমন্ত্রী-এমপিরা কাঁচা ধান কাটছেন: রিজভী