
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
রামুতে বিএনপি অফিসে বসে উপজেলা আওয়ামীলীগের নাম ব্যবহার করে সংবাদ সম্মেলনের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন রামু উপজেলা আওয়ামীলীগ। বিবৃতিতে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দরা জানান।
রামু উপজেলা আওয়ামীলীগের নাম ব্যবহার করে গত ০৫ মে জেলা প্রশাসনের চাল বরাদ্দে বিমাতা সুলভ আচরণ সম্পর্কিত একটি সংবাদ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনের সাথে রামু উপজেলা আওয়ামীলীগের কোন প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। রামু উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রধান কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ কোন সংবাদ সম্মেলন করে নাই। মূলত বিএনপি’র কার্যালয়ে আওয়ামীলীগের ব্যানারে কথিত এই সংবাদিক সম্মেলন ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য হাসিলের অপচেষ্টা।
রামু উপজেলা আওয়ামীলীগ অত্যন্ত সুসংগঠিত একটি সংগঠন। যেটি পরিচালিত হয় কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে। আমাদের দলীয় সকল কর্মসূচি কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এবং জেলা আওয়ামীলীগের নির্দেশে পরিচালিত। রামু উপজেলা আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে যে সাংবাদিক সম্মেলন তা উপজেলা আওয়ামীলীগের ভাবমূর্তিকে ক্ষূন্ন করেছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক এবং রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে শিষ্টাচার বিরোধী যে আচরণ মূলত সেটি নিজস্ব তাবেদারী প্রশাসন তৈরীর প্রচেষ্টা বলে আমরা মনে করি।
রামু উপজেলা পরিষদের বরাদ্দ নিয়ে যদি গরমিল হয়ে থাকে তাহলে আলোচনার ভিত্তিতে সেটি খুব সহজ ভাবে সমাধান করা যায়। দেশের সাধারণ মানুষের কান ভারী করে বরাদ্দের কথা বলে সাংবাদিক সম্মেলন কিংবা বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি মূলত উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
জেলা প্রশাসক একজন সম্মানিত ব্যক্তি। জেলার প্রশাসনের কর্ণধার। সরকার এবং রাষ্ট্রের প্রতিনিধি। জেলা প্রশাসকের শাস্তি দাবি করে হেয় প্রতিপন্ন করা মানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রশাসনের বিরুদ্ধাচারণের সামিল। মূলত কোভিট-১৯ (করোনা ভাইরাস) নিয়ে সারাদেশ যখন আক্রান্তের হুমকিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন ব্যতিব্যস্ত সেখানে চাল বরাদ্দের নাম দিয়ে কথিত সাংবাদিক সম্মেলন সরকারকে বিপাকে ফেলার একটি ষড়যন্ত্র।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, রামু উপজেলার যারা কোন সদস্য বা কর্মী নয় এধরনের একটি কুচক্রী মহল রামু উপজেলা আওয়ামীলীগের নাম ব্যবহার করে বিতর্কিত কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। আমরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, রামু উপজেলার পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।













