করোনামুক্ত নিউজিল্যান্ড, আনন্দে নাচলেন প্রধানমন্ত্রী

0
5

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মুক্ত ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড। কোনও সক্রিয় করোনা আক্রান্ত রোগী আর না থাকায় দেশটিতে প্রায় সমস্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করেছে সরকার। এই খুশিতে খানিকটা নাচলেনও দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা অর্ডুন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, সোমবার স্থানীয় সময় মধ্যরাত (১২টা) থেকে দেশটিতে বিধিনিষেধ আর থাকবে না।

নতুন নিয়ম অনুসারে, সামাজিক দূরত্ব প্রয়োজন হবে।  জনসমাবেশে কোনও সীমাবদ্ধতা থাকবে না। তবে বিদেশীদের জন্য দেশটির বর্ডার বন্ধ থাকে।

নিউজিল্যান্ড দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কোনও নতুন কোভিড-১৯ রোগী পাওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা অর্ডুন জানান, যখন দেশটিতে আর কোনও সক্রিয় ভাইরাসজনিত রোগ নেই বলা হয়েছিল তখন তিনি “কিছুটা নাচ” করেছিলেন।

তিনি বলেন, আমরা যখন নিরাপদ, শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছি তখনও প্রাক-কোভিড জীবনের পিছনে ফিরে যাওয়ার সহজ কোনও পথ নেই। তবে আমাদের স্বাস্থ্যের প্রতিক্রিয়ায় আমরা যে দৃঢ় সংকল্প ও ফোকাস রেখেছিলাম তা এখন আমাদের অর্থনৈতিক পুনর্নির্মাণের জন্য নিযুক্ত করা হবে।

জাসিন্ডা বলেন, কাজটি সম্পন্ন না হওয়ার পরেও অস্বীকার করার দরকার নেই এটি একটি মাইলফলক। সুতরাং আমি কী খুব সহজ করে ‘থ্যাঙ্কস, নিউজিল্যান্ড’ দিয়ে শেষ করতে পারি?
একটি ধারাবাহিক প্রচেষ্টা

নিউজিল্যান্ড ২৫ মার্চ প্রথম লকডাউনে প্রবেশ করে। একটি নতুন চার-পর্যায়ের সতর্কতা ব্যবস্থা স্থাপন করে। যেখানে বেশিরভাগ ব্যবসা বন্ধ ছিল, স্কুল বন্ধ ছিল এবং লোকেরা ঘরে ছিল।
পাঁচ সপ্তাহেরও বেশি পরে এটি এপ্রিলে তিন স্তরে স্থানান্তরিত হয়েছিল। ফলে গ্রহণযোগ্য খাবারের দোকান এবং কিছু অপ্রয়োজনীয় ব্যবসা পুনরায় খোলার অনুমতি দেয় দেশটির সরকার।

করোনা সংক্রমণ কমতে থাকায় মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশটি দ্বিতীয় স্তরে চলে গেছে।
প্রথম স্তরের পদক্ষেপটি সময়ের আগেই আসে। সরকার প্রাথমিকভাবে ২২ জুন এই পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ১ দিনের জন্য কোনও নতুন সংক্রমণ না পাওয়ার পরে তা সামনে আনা হয়েছিল।

নতুন নিয়মের আওতায় সমস্ত স্কুল এবং কর্মক্ষেত্রগুলো খুলতে পারে। বিবাহ, জানাজা এবং গণপরিবহন কোনও বিধিনিষেধ ছাড়াই পুনরায় শুরু হতে পারে। সামাজিক দূরত্ব আর প্রয়োজন হবে।

দেশের সীমানা বিদেশী ভ্রমণকারীদের জন্য বন্ধ রয়েছে। নিয়ম রয়েছে নিউজিল্যান্ডের বিদেশ থেকে আগতদেরকে ১৪ দিনের বিচ্ছিন্নতা বা পৃথকীকরণের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে নিউজিল্যান্ডে ভাইরাসটি আসার পর থেকে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ১৫০৪ জনের দেহে। এরমধ্যে মারা গেছেন ২২ জন।

আগেচকরিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দগ্ধ শিশুর মৃত্যু
পরেদেশে করোনায় মৃত্যু হাজার ছাড়ালো, নতুন শনাক্ত ৩১৯০