
বার্তা পরিবেশকঃ
গত ৮ জুলাই কক্সবাজার শহরের কলাতলী ৫১ একর লাগোয়া সরকারি পাহাড়ে সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. শাহরিয়ার মুক্তারের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উচ্ছেদ অভিযানের সংবাদ কক্সবাজারের অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ করা হয়। সংবাদে বাঘঘোনার স্থলে সৈকতপাড়ার নাম ব্যবহার করা হয়। এতে সৈকতপাড়ার সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। যা অত্যান্ত দুঃখজনক।
প্রকৃতপক্ষে সরকারি পাহাড়টি সৈকতপাড়ার অংশ না। এটি বাঘঘোনায় অবস্থিত। তাই বাঘঘোনার অপকর্ম কোনভাবেই সৈকতপাড়াবাসী বহন করবে না। সৈকত পাড়ার সীমানা হল পাহাড়ের পাদদেশে লাইটহাউস রোড থেকে আনুবিক শক্তিকমিশন রোড পর্যন্ত। একটি পাহাড়খেকো সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন ধরে বাঘঘোনায় সরকারি পাহাড় কেটে সাবাড় করছে। বিভিন্ন সময় পাহাড় খেকোদের বাঁধা দেয় সৈকতপাড়ার সর্বস্তরের মানুষ। কিন্তু তারা কারো কথায় কর্ণপাত না করে পাহাড়কাটার মহোৎসবে মেতেছে। এসব অপরাধীদের কখনো সৈকতপাড়ার জনসাধারণ আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়নি। ভবিষ্যতেও পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে সৈকতপাড়াবাসীর দৃঢ় অবস্থান থাকবে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সকল অভিযানে সৈকতপাড়ার আপামর মানুষ সবসময় সাহায্য সহযোগিতা করবে।
বাঘঘোনায় পাহাড় কাটার ফলে সৈকতপাড়ার অলিগলিসহ ড্রেইন মাটিতে সয়লাব হয়ে যায়। এতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। যার কারণে সৈকতপাড়ার মানুষ দুর্ভোগে পড়ে। চলতি বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ের মাটির কারণে পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পর্যটন এলাকার সৌন্দর্য্য বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বাড়ছে দুর্ভোগ। তাই পাহাড় ও ভূমিখেকোদের সমূলে উৎখাত করার আহবান জানানো হয়। সেই সাথে সাংবাদিক ও প্রশাসনের প্রতি বাঘঘোনা এলাকায় উচ্ছেদকালে সৈকতপাড়ার নাম ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ জানানা এলাকাবাসী।
নিন্দা ও বিবৃতিপ্রদানকারী
সৈকতপাড়া বহুমূখী সমবায় সমিতি
ও সৈকতপাড়া সমাজ কমিটির নেতৃবৃন্দসহ
সর্বস্তরের জনসাধারণ।













