
সিবিকে ডেস্কঃ
মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর টেকনাফ-উখিয়া সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় ৩৪টি ক্যাম্পে বসবাসকারী সাধারণ রোহিঙ্গারা এ নিয়ে আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করেছে।
বিজিবি সুত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের কোনো ধরনের প্রভাব বাংলাদেশ সীমান্তে পড়েনি। সীমান্তের পরিস্থিতি একদম স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সতর্কাবস্থায় রয়েছে বিজিবি। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি উইন মিন্ট, ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ শাসক দলের শীর্ষ কয়েকজন নেতাকে আটক করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। রাজধানী নেপিডো ও প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় রাস্তায় টহল দিতে শুরু করে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। দেশজুড়ে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার ইন চীফ সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাং-এর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে বলে সামরিক বাহিনীর মালিকানাধীন টেলিভিশনে ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনায় টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলায় ৩৪টি ক্যাম্পে বসবাসকারী সাধারণ রোহিঙ্গারা এ নিয়ে বিভিন্নভাবে আনন্দ-উল্লাস প্রকাশ করেছে। অতি উৎসাহী অনেক রোহিঙ্গা খুশিতে মিষ্টি বিতরণ করেছে বলেও শোনা গেছে।
লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আলম বলেন, মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনায় আমরা বাংলাদেশে আশ্রিত সাধারণ রোহিঙ্গারা খুবই খুশি।













