
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার শহরের কবিতা সরণীতে ৫০ শয্যা বিশিষ্টি হোপ আইসলেশন এন্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালু হচ্ছে আগামীকাল শুক্রবার।হোপ ফাউন্ডেশনের নিজস্ব অর্থায়নে পরিচালিত হবে। এই সেন্টারে সম্পূর্ন বিনামুল্যে কক্সবাজারে করোনা আক্রান্ত রোগীদের দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে। এই সেন্টারটিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডার সহ স্বয়ংক্রিয় অক্সিজেন কনসেনট্রেটর যন্ত্র রয়েছে যার সার্বিক পরিচালনায় থাকবে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দক্ষতা সম্পন্ন ৩ জন ডাক্তার, ৪ জন নার্স, ৪ জন প্যারামেডিক, ৫ জন সাপোর্ট স্টাফ, ৭ জন আয়া/ক্লিনার, ৩ জন সিকিউরিটি গার্ড ও ২ জন ওয়াশার ম্যান। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, আগামীকাল সকাল ১১ টায় অনাড়ম্বর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক কার্যক্রম চালু হবে।এসময় জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমানসহ কক্সবাজারের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
হোপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট, কক্সবাজার জেলার সন্তান, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসি ও বিশিষ্ট শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ বলেন, বেশির ভাগ করোনা রোগীকে সঠিক চিকিৎসা ও যত্নের মাধ্যমে সুস্থ্য করা সম্ভব। এই লক্ষে ৫০ শয্যা বিশিষ্টি হোপ আইসলেশন এন্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টারটি কক্সবাজার সদরে স্থাপন করা হয়েছে। করোনাকালিন অতিমারিতে হোপ ফাউন্ডেশন কক্সবাজারবাসির সেবায় নিরলসভাবে সেবা দিয়ে যাবে।
গত ১৪ জুলাই জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ সেন্টারটি সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং কার্যক্রমের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডাইরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামান বলেন যে হোপ ফাউন্ডেশন মানবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই সেন্টারটি চালু করতে যাচ্ছে দেখে যারা ইতিমধ্যে উৎসাহ দিচ্ছেন তাদের সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান। বিগত ২২ বছরের অধিক সময় যাবত কক্সবাজার জেলায় স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে, বর্তমানেও করোনা অতিমারিতে মানবিক সেবার তাগিদে কক্সবাজারবাসির স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যপারে আশাবাদ ব্যক্ত করছে এবং এই ধারা ভবিষ্যতেও হোপ ফাউন্ডেশন অব্যহত রাখবে।













