
চকরিয়া প্রতিনিধিঃ
২০২১ সালে ২৪ ফেব্রুয়ারি চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ জঙ্গলকাটা গ্রামের একটি পুকুর থেকে ৩ বছর ৮ মাস বয়সী নুর তাজ নামের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।
সেদিন এ ব্যাপারে চকরিয়া থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়। কিন্তু নুর তাজের মৃত্যুর ৫ মাস ৮ দিন পর ২ আগষ্ট ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পায় পুলিশ। প্রতিবেদন মতে নুর তাজকে ধর্ষনের পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
প্রতিবেদন পেয়েই ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মো: দুলাল মিয়া (২২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহত নুর তাজ আঞ্জু মিয়ার মেয়ে ও ধৃত যুবক আবু তাহেরের ছেলে। দুজনেই জঙ্গলকাটা গ্রামের বাসিন্দা ও প্রতিবেশি।
চকরিয়া থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৭ ফেব্রুয়ারী নুর তাজ বাড়ির পাশে অন্য বন্ধুদের সাথে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। এর ৭ দিন পর ২৪ ফেব্রুয়ারী বাড়ির অদূরে মো. আবুল হাসেমের পুকুর থেকে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।
থানা পুলিশ মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠায়। দীর্ঘ ৫ মাস ৮ দিন পর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসে থানায়। রিপোর্টে ওই শিশুকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। পরে অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।
এবিষয়ে নিহতের বাবা আঞ্জু মিয়া বলেন, আমার মেয়ের মৃত্যুর কয়েকদিন পর থেকে লোকমুখে শুনতে পাই তাকে দুলাল ধর্ষন করে হত্যা করেছে। কিন্তু আমি সেটিও কানে নেইনি। কিন্তু এখন ময়না তদন্তে প্রতিবেদনে এসেছে আমার শিশু মেয়েকে ধর্ষন করে হত্যা করা হয়েছে। তাই আমি বাদী হয়ে দুলালের বিরুদ্ধে ধর্ষন ও হত্যা মামলা দায়ের করেছি।
চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জুয়েল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকে দুলাল পলাতক থাকায় তার বিষয়ে সন্দেহ ঘনিভূত হয়। অভিযুক্ত দুলালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানো হবে।













