নির্বাচন কর্মকর্তার ভূমিকায় “গুদাম রক্ষক” জিল্লুর

0
5

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিসে জিল্লুর রহমানের পদবি “গুদাম রক্ষক” হলেও রাতারাতি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার চেয়েও বড়ো কর্তা বনে গেছে সে। অফিসে তার ভাবসাব ও সৈরতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি দেখে মনে হয় সরকারি অফিসটা তার পৈতৃক সম্পত্তি। সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সেবা প্রার্থীদের সাথে অসৈজন্যমূলক ও অপেশাদারিত্ব আচার-আচরণের অভিযোগ উঠলেও, উল্টো অফিসে বসে দম্ভোক্তি দিয়ে বলে আমি কক্সবাজারের ছেলে, আমাকে কেউ কিছু করতে পারবেনা। এছাড়া সাংবাদিকদের নিয়ে নানা বিষাদাগার ও কটাক্ষ মন্তব্য করনে তিনি। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এ সেবামূলক প্রতিষ্ঠানটিতে এ ধরনের অজনবান্ধব ও কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিকে অন্যত্রে বদলি করে সেবার মান নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী। না হয়, লাখ টাকার বাগান খাইলো এক টাকার ছাগলে। এ বচনে পরিণত হবে।
সুত্রে জানাযায়, তাঁর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ভোটারের সহযোগিতা করার মতোও জগন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সাংবাদিকদের যে কার্ড দিয়েছে তাও ভুলে ভরা, বিভ্রান্তিকর আর অদ্ভুত বাংলা বানান। সাংবাদিকদের যে নির্বাচনী কার্ড দিয়েছে সেখানে কক্সবাজার বানান লিখেছে “ ককস বাজার ”। এ যেন দেখার কেউ নেই। সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদাসিনতার কারণে জেলা নির্বাচত অফিসের বড়ো কর্তা বনে গেছেন এ ব্যক্তি।
জানাযায়, আজ (২০ সেপ্টেম্বর) দেশের ১৬০ ইউনিয়ন এবং ৯টি পৌরসভায় একযোগে ভোটগ্রহণ চলেছে। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজার জেলার ২ পৌরসভা ও ১৪ ইউপিতে অনুষ্ঠিত হ”েছ নির্বাচন। সে নির্বাচনের পর্যবেক্ষক কার্ড নিতে কক্সবাজার জেলার টেলিভিশন ও জাতীয় পত্রিকার সিনিয়র ও নবীন সাংবাদিকেরা ডকুমেন্টস জমা দেয়। দেওয়ার পর থেকে কার্ড দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন জিল্লুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন আইনের মারপ্যাঁচ দেখিয়ে কার্ড না দিতে নানা তালবাহানা শুরু করে দেয় সে। এতে পেশাগত দায়িত্ব পালনে হয়রানির ও প্রতিবন্ধিকতার শিকার হন কর্মরত অনেক সাংবাদিক। শুধু তা নয়, ভুক্তভোগিরা এর প্রতিবাদ করলে নানান ইস্যু দেখিয়ে নিজের ক্ষমতার জানান দিতে অনেকের কার্ড আটকিয়ে দেয় এ মহা ক্ষমতাধর ব্যক্তি। যার কারণে অনেক পেশাদার সাংবাদিক নির্বাচনী সাংবাদ কাভার করতে পারে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যার কারণে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সঞ্চার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিসের “গুদাম রক্ষক” জিল্লুর রহমান জানান, “আমার স্যার আমাকে যা নির্দেশ দিয়েছে আমি তা পালন করছি। তাঁর ব্যাপারে উল্লেখিত অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবী করেন।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আপনার পত্রিকা আমি চিনি না তাই আপনাদের অনেকের কার্ড দিতে পারবো না। যাচাই বাচাই থেকে বাদ পড়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি নির্বাচন কর্মকর্তার সাথে কথা বলতেছি।

আগেকুতুবদিয়ায় নির্বাচনী সহিংসতায় নৌকার এজেন্ট নিহত
পরেমহেশখালী পৌরসভায় মকছুদ মিয়া ও চকরিয়ায় আলমগীর চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত