টেকপাড়ায় দখলদারদের দৌরাত্ম্য, ড্রেন দখল করে ব্যবসা!

0
6

 

নিজস্ব প্রতিবেদক
শহরের টেকপাড়ায় বেড়েছে দখলদারদের দৌরাত্ম্য। চৌমুহনীতে ড্রেন দখল করে চলছে ব্যবসা। ইতোমধ্যে দখলদার চক্র বনেছে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। এ নিয়ে জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৩০ বছর আগে ইজারা নেওয়ার অজুহাতে টেকপাড়া চৌমুহনীতে ড্রেন দখল করে নির্মাণ করা হয় ৮ থেকে ১০টি দোকান। দোকানগুলো দখলদার চক্র ভাগবাটোয়ারা করে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে লুটেপুটে খাচ্ছে। ড্রেন ইজারা দেওয়ার কোন নিয়ম বা আইন রয়েছে কিনা এ নিয়ে এলাকার মানুষের মাঝে চলছে কানাঘুষা। কোনভাবেই তাদের দমানো যাচ্ছে না। যার ফলে বর্ষা মৌসুম আসলে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে চরম দুর্ভোগ পোহায় এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের টেকপাড়ায় ড্রেন নির্মাণ কাজ প্রায় শেষের পথে। ইতোমধ্যে কয়েকটি সড়কের আইসিসি ঢালাই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে হাঙর পাড়া থেকে টেকপাড়া চৌমুহনী পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে। এই কাজের প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। কিন্তু চৌমুহনীতে এসে ড্রেনের উপর দোকান থাকায় থমকে গেছে পৌরসভার এই উন্নয়ন কাজ।
স্থানীয়রা জানান, চৌমুহনীতে বিশাল ড্রেন দখলে নিয়ে তৃপ্তি মেটেনি তাদের। রাস্তার উপর এসে অর্ধেক রাস্তা দখল করে চায়ের দোকান চালাচ্ছে ৩০ বছর ধরে। রাস্তায় চায়ের দোকান চালিয়ে তারা চার তলা ভবনের মালিক।

সম্প্রতি বর্তমানে উন্নয়ন কাজের পরিদর্শনে টেকপাড়ায় ছুটে যান পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান। তিনি ড্রেন সম্প্রসারণের জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু এখানো পৌর মেয়রের নির্দেশ উপেক্ষিত রয়েছে। যার ফলে ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ার পরও আটকে আছে ড্রেন নির্মাণ। এ বিষয়ে পৌর মেয়রের সুনজর কামনা করেছেন বৃহত্তর টেকপাড়াবাসী।

এ বিষয়ে কক্সবাজার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী টিটন দাশ বলেন, ড্রেন ইজারা দেওয়ার কোন নিয়ম নেই। ড্রেনের পাশের জায়গা ইজারা নিয়ে থাকলেও তার মেয়াদ নেই। তাই এলাকাবাসীর পক্ষে আমরা অভিযোগ পেলে তড়িৎ এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

আগেরামুর ঈদগড়ে ঘুমন্ত অবস্থায় যুবককে ছুরিকাঘাত
পরেঈদগড়ে নৌকার কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ