
সদর প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজার জেলা শ্রমিক লীগ সভাপতি জহিরুল ইসলামকে হত্যার ঘটনায় সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের ছোট ভাই কুদরত উল্লাহ সিকদার বাদী হয়ে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এই মামলা দায়ের করেন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি অপারেশন মো.সেলিম জানান চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নিহতের ভাই কুদরত উল্লাহ সিকদার দস্তখত করা লিখিত অভিযোগ তার ভাগিনার মাধ্যমে সদর থানায় দায়ের করলে মঙ্গলবার রাতে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। এজাহারে আসামি হিসেবে ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তবে আসামির নাম মামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোন তথ্য জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
গত রবিবার দুপুর ১ টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর দুই দিন আগে গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংক রোডে তার ছোট ভাই কুদরত উল্লাহ সিকদারের অফিসে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসীর গুলিতে আহত হন তিনি। সন্ত্রাসীদের গুলিতে এসময় জহিরুল ইসলাম ছাড়াও তার ছোট ভাই ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান মেম্বার ও আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা কুদরত উল্লাহ সিকদার গুলিবিদ্ধ হন। আহত হন আরো তিনজন। শুক্রবার রাতেই জহিরুল ইসলাম ও কুদরত উল্লাহ সিকদারকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জহিরুল ইসলাম রবিবার দুপুর ১টার দিকে মারা যান। জহিরুল ইসলামের মৃত্যুর খবর পেয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংক রোড এলাকায় তার সমর্থকেরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ ছাড়া দীর্ঘ চার ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ করে। গতকাল সোমবার বিকেলে কক্সবাজার সরকারি কলেজ মাঠে জহিরুল ইসলামের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে জহিরুল ইসলামের ছোট ভাই কুদরত উল্লাহ সিকদার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
প্রভাবশালীদের ইন্ধনে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপ ঐদিন ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী কুদরত উল্লাহ সিকদার ও জহিরুল ইসলামের উপর হামলা চালিয়েছিল বলে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।













