সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ডলফিনের খেলা

0
5
সিবিকে:
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের নীল জলরাশিতে খেলছে ডলফিনের দল। শীতল সাগরে নেই বিশাল বিশাল ঢেউ। চারদিকে সাগরের নীল স্বচ্ছ জলরাশি, এই জলরাশিতে দল বেঁধে উপকূলের কাছাকাছিতে ছুটাছুটি ২৫-৩০টি ডলফিন। কখনও ডুব দিচ্ছে, কখনও দল বেঁধে খেলা করছে; আবার কখনও সাঁতার কাটছে।
শুক্রবার সকালে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ডলফিন দলের এমন দাপাদাপির দৃশ্য দেখতে পান জেড স্কী চালক সোনা মিয়া।
তিনি সময় সংবাদকে বলেন, শীত মৌসুম শুরু আগেই সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের দেখা নেই। সাগর অনেকটা শীতল। চারদিকে নীল স্বচ্ছ জলরাশির দেখা মিলছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় পর্যটক আগমন বাড়বে। তাই সকালে জেড স্কী সুগন্ধা পয়েন্টের সাগর তীরে রাখা হয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দুই জন পর্যটককে জেড স্কী নিয়ে সাগর ভ্রমণে যায়।
সুগন্ধা পয়েন্ট হতে তাদের তুলে কলাতলী পয়েন্টে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন কলাতলী সাগর উপক‍ূলের কাছাকাছিতে বেশ কিছু ডলফিন দেখতে পায়। পরে পর্যটকদের নামিয়ে দিয়ে জেড স্কী উঠে ডলফিন দলের পিছু করি। সকাল ৮টা ৪৭ মিনিট হতে প্রায় ৯ টা পর্যন্ত ধরে এই ডলফিন দলের দৃশ্যগুলি দেখি।
সোনা মিয়া বলেন, কলাতলী পয়েন্ট হতে লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় ১৩ মিনিটের বেশি ডলফিনগুলো কখনো দু’একটা করে, দল বেঁধে কখনো কখনো, আবার সাগর জলে সাঁতার-ডোবা খেলায় মাতে। প্রায় ২৫-৩০টি ডলফিন ছিল। পরে ডলফিনগুলো সোনাদিয়ার দিকে চলে যায়।
এদিকে গেল কয়েকবছর ধরে শীত মৌসুম আসলেই ডলফিন দলের এমন দৃশ্য দেখা মিলছে কক্সবাজার সৈকতে।
সৈকতের লাইফ গার্ড কর্মী ভূট্টো বলেন, শীত মৌসুমে মাছ চলে আসে সাগরের কিনারায়। তাই ডলফিনও মাছ শিকারে আসে সমুদ্র পাড়ের কাছাকাছি। তবে ডলফিনের এই দৃশ্যের প্রতিদিন দেখা মিলেনা। সৈকতের কাছেই আরো একবার দেখা মিলেছিল সেই করোনার শুরুর দিকে।
আগেঅবশেষে টেকনাফে সেই ‘কালো পোপা’ মাছটি বিক্রি হলো ১০ লাখ টাকায়
পরেসাতকানিয়ায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার