ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবসে কক্সবাজার শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের নানা কর্মসূচি

0
7

বার্তা পরিবেশক:
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদফতর পরিচালিত কক্সবাজার শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নানা কর্মসূচির মধ্যেদিয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ দিবস’২০২২ উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গত ৭ মার্চ রোজ সোমবার সকাল ৮:০০ টায় উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার এর নেতৃত্বে কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং নিবাসী শিশুদের অংশগ্রহণে অরুণোদয় স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অপর্ণের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। অতঃপর সকাল ৯:০০ টায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ নিবাসী শিশুরা। উক্ত আয়োজনে কক্সবাজার শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের নিবাসী শিশু উর্র্মি সাদিয়া চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে জেলায় ‘দি¦তীয় স্থান’ প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করে। দিবসের কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্বে তথা বাদ জোহর কেন্দ্রের বালক শাখা মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর শহীদ পরিবারবর্গের রূহের শান্তি কামনা করে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন কক্সবাজার পৌরসভার সবুজবাগ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মো: ইকবাল হোসাইন। অতঃপর বিকাল ৩:৩০ টায় কেন্দ্রের নিবাসী শিশুদের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে ৭ মার্চ ‘১৯৭১ – এ বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ভাষণ নির্ভর ভাষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিকাল ৪:৩০ টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা, পুরষ্কার বিতরণ ও শিশুতোষ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতার এর সভাপতিত্বে এবং ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টর সন্তোষ কুমার চক্রবর্ত্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ আবুল কাশেম। আলোচনায় বক্তাবৃন্দ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এর পটভূমি স্মৃতিচারণ করে বলেন- বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক জ¦ালাময়ী সেই ভাষণই ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বশ্রেষ্ঠ হাতিয়ার এবং এই দিবসের তাৎর্পয অক্ষুন্ন রাখার বিষয়ে আমাদের সকলকেই দায়িত্বশীল হতে হবে। আলোচনা সভা শেষে ভাষণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। অতঃপর নিবাসী শিশুদের পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থিত সকলেই বিমুগ্ধ চিত্তে উপভোগ করেন। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে নিবাসীদের মাঝে মিলাদের তবারক ও বিশেষ উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়।

 

আগেঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ
পরেবঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না-অ্যাড. সিরাজুল মোস্তফা