
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কক্সবাজারের মহেশখালীতে পাওনা টাকার বিরোধ মেটাতে গিয়ে বাবা-মায়ের উপস্থিতিতে বেদম পেটানোর অভিযোগ উঠেছে।
বৃহষ্পতিবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় মাতারবাড়ির চেয়ারম্যান আবু হায়দার ও নুরুল আবছার নামের এক মেম্বার ইউপি ইউপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটান।
মারধরের শিকার ওই শিক্ষার্থীর নাম আনোয়ার হোছাইন। সে মাতারবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও এবং মাতারবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আনোয়ার হোছাইন জানান, প্রতিপক্ষের সাথে বিরোধ নিয়ে মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদে তাকে ও তার মা-বাবাকে ডাকে। তারা যথাসময়ে পরিষদে উপস্থিত হয়ে বিরোধীয় বিষয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল আবছার ও চেয়ারম্যান লাঠি দিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে মারধর ধরে কক্ষে আটকে রাখে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা আজবাহার বেগম বলেন, ‘আবছার মেম্বার মারধর করে আমার ছেলেকে কক্ষে আটকে রাখে। তারপর কক্ষ থেকে বের করে চেয়ারম্যান দ্বিতীয়বার এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করে।’
এদিকে ওই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা খবর পাওয়ার পর পরই মাতারবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ শাহরিয়ারের নেতৃত্বে সিএনজি স্টেশনে বিক্ষোভ শুরু করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় শাহরিয়ার জানান, কোন জনপ্রতিনিধিকে মানুষকে মারধরের দায়িত্ব দেয়া হয়নি। ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদককে যারা মারধর করেছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
এই ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য নুরুল আবছার জানান, বিচার চলার সময় ছেলেটি বেয়াদবি করে। তখন তাকে থামানোর চেষ্টা করা হয়েছে শুধু।
অপরদিকে মাতারবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আবু হায়দার জানান, ছেলেটি বেয়াদবি করলে মেম্বার তাকে থামানোর চেষ্টা করেছে। মারধর করেনি। ছেলেটির গায়ে আঘাত গুলো কিভাবে পেয়েছে সেই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হয়তো ধাক্কাধাক্কিতে আঘাত পেয়েছে। তাকে ওইভাবে মারধর করা হয়নি।













