খুটাখালীতে সশস্ত্র মটরসাইকেল ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত-৩

0
5

 

শেফাইল উদ্দিন:

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় দিন দুপুরে মটরসাইকেল ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে ঈদগাঁও উপজেলার ৩ মটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়েছে। আহতদের জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (৭ নভেম্বর) বিকালে উপজেলার খুটাখালী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন
ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ইউচুপেরখীলের ব্যবসায়ী সরওয়ার জাহান,একই ইউনিয়নের পাহাশিয়াখালী এলাকার সাইফুদ্দিন মাহমুদ ও ইসলামপুর নাপিতখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ।

জানা যায়, আহতরা খুটাখালীতে আত্মীয়ের জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করতে যাওয়ার সময় মোটর সাইকেলটি খুটাখালী বাজারস্থ রুনা এন্টারপ্রাইজ তৈলের দোকানের সামনে লক করা অবস্থায় রেখে সামনে মিষ্টিবনে ঢুকে চা পান করাকালে তিনজন পেশাদার মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী উক্ত মোটরসাইকেলের লক ভেঙে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যেতে দেখে দৌড়ে গিয়ে তাদেরকে বাধা প্রদান করে। সাথে সাথে ছিনতাইকারীদের সাথে ওঁত পেতে থাকা আরও ৬/৭ জন ছিনতাইকারী যোগ দিয়ে তাদের সাথে থাকা ছুরি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরওয়ার জাহান, সাইফুদ্দিন মাহমুদ ও নজরুল ইসলামের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদেরকে মারাত্মকভাবে আহত করে। ধারালো ছুরি, লোহার রড ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে প্রত্যেকের শরীরে গভীর ক্ষতচিহ্ন তৈরী হয়েছে এবং রক্তাক্ত কাঁটা জখম হয়।

আহতদের মধ্যে নাপিতখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম ও সরওয়ার জাহানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
জানা গেছে, অভিযুক্তরা খুটাখালী এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য। সংঘটিত ছিনতাই এবং সন্ত্রাসী আক্রমণের নেতৃত্ব দেয় খুটাখালী পূর্বপাড়া ৬ নং ওয়ার্ডের আবদুর রহমানের ছেলে মোঃ অভি এবং মেধা কচ্ছপিয়া গ্রামের ৪নং ওয়ার্ডের ইসলাম মাঝির ছেলে মোঃ রিদুয়ান।
এছাড়া শনাক্তকৃত অন্যান্য ছিনতাইকারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা হল পূর্ব পাড়া ৬নং ওয়ার্ডের মোঃ সাজ্জাদ, ৫নং ওয়ার্ডের মাইজপাড়ার রহিম উল্লাহর ছেলে রোকন উদ্দিন এবং অজ্ঞাত আরও ৬/৭ জন।


স্থানীয়রা জানান, উপরোক্ত চিহ্নিত ছিনতাইকারী ও সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে খুটাখালী ও আশেপাশের এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। বিভিন্ন মহল থেকে বারবার অভিযোগ দেয়া স্বত্ত্বেও প্রশাসন যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা চকরিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছে বলে জানা গেছে। চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ চন্দন কুমার চক্রবর্তীর সাথে কথা হলে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান।

আগেজাতীয় ক্রিকেট লীগে কক্সবাজারের প্রথম আম্পায়ার শামীম
পরেচিনির কেজি এখন ১১৫ টাকা