কক্সবাজার সৈকতে এশিয়ার বৃহৎ ‘বর্জ্য দৈত্য’

0
11

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পৃথিবীর ‘বিপর্যয়’ ডেকে আনছে প্লাস্টিক বর্জ্য। এটা নিয়ে বিশ্ব নেতৃত্বের মাথা ব্যথা এখন চরম পর্যায়ে। তাই বিশ্বজুড়ে প্লাস্টিক বর্জ্য রোধে ডাক পড়েছে। সেই ডাকে কুড়িয়ে সংগ্রহ করা প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বানানো হয়েছে ৪২ ফুট উচ্চতার ‘বর্জ্য দৈত্য’। সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই প্লাস্টিক দৈত্য বানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘বর্জ্য দৈত্য’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান। এসময় তিনি বলেন, ‘সমুদ্রকে রক্ষা করতে পারলে রক্ষা হবে প্রকৃতি ও প্রতিবেশ।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন থেকে সংগ্রহ করা প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ে বানানো হয়েছে এই ‘বর্জ্য দৈত্য’। ৪২ ফুট উচ্চতার এ ভাস্কর্যটি বানাতে লেগেছে ৮ টন প্লাস্টিক বর্জ্য। আর সময় লেগেছে ৭ দিন।

বিজয় দিবসের প্রাক্কালে সমুদ্র দূষণ রোধে সচেতনতা তৈরিতে এ ভাস্কর্য বানানো হয়েছে। এটি এশিয়ার সর্ববৃহৎ বর্জ্য ভাস্কর্য বলে দাবি ভাস্কর আবীর কর্মকারের। আবীর কর্মকারের সঙ্গে এ ভাস্কর্য তৈরিতে কাজ করেছে শুভ্র, নির্ঝর, সাব্বির, বিপ্লব এবং উজ্জ্বল।

সাত দিন প্রদর্শনীর পর এ ভাস্কর্যে লাগানো প্লাস্টিক পুনঃ প্রক্রিয়া করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকেরা।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক মানস পালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের চৌধুরী, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য রেজাউল করিম, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক আকরাম হোসেন বক্তব্য দেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার চৌধুরী মিজানুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শিক্ষা ও আইসিটি বিভীষণ কান্তি দাশ, সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস রানা প্রমুখ।

আগেকক্সবাজারে পরিবার কল্যাণ সেবা ও প্রচার সপ্তাহ শুরু হচ্ছে ১৭ ডিসেম্বর
পরেমহান বিজয় দিবসে হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ৩৪ বিজিবি’র শীতবস্ত্র বিতরণ