কক্সবাজার সৈকতে লাখো পর্যটকের ঢল

0
8
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শুক্র-শনি দুইদিন সাপ্তাহিত ছুটির সাথে বোনাস হিসেবে যোগ হয়েছে বড়দিনের ছুটি। টানা তিনদিনের ছুটি পাওয়ায় পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। সমুদ্র সৈকতসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে উপচে পড়া ভিড় সামলাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে টুরিস্ট পুলিশ। এতে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে হোটেল-মোটেলসহ কক্সবাজারের পর্যটন ব্যবসাগুলোও।

সাধারণত সাপ্তাহিক ছুটির সময় থেকে এবার যেন পর্যটকদের মাঝে আমেজ একটু বেশিই। টানা তিনদিনের ছুটিতে কক্সবাজারে এখন বিরাজ করছে উৎসব। চলমান ছুটিতে পর্যটন নগরীতে পাঁচ লাখের বেশি পর্যটকের উপস্থিতি আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই তিনদিনে প্রায় ৫০ কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্যের আশা করছেন তারা।

শুক্রবার সকাল থেকেই সৈকতের সবগুলো পয়েন্ট পর্যটকে ঠাসা। এই সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে সেন্টমার্টিন, হিমছড়ি, মহেশখালীতেও পর্যটকদের উল্লেখযোগ্য ভিড় রয়েছে।

সকাল থেকে সরেজমিনে দেখা যায়, শুক্রবার সকাল থেকে পর্যটকরা সুগন্ধা, কলাতলী পয়েন্ট ও লাবণী বীচে নেমে গোসল করছেন। অনেকে আবার বালুচরে দৌড়-ঝাপ করছেন। কেউ কেউ দ্রুতগতির জেডস্কি নিয়ে বিশাল সমুদ্রের পাশে দুরন্ত গতিতে ছুটে চলছেন। আর অনেক অভিভাবকরা ছেলেমেয়েদের উচ্ছ্বাস দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। ভিড় রয়েছে হোটেল-মোটেলেসহ অলিগলি-রাস্তায় সর্বত্র। পর্যটকবাহী ও সাধারণ পরিবহন এবং ইজিবাইক, সিএনজি অটোরিকশায় বাইপাস সড়ক, কলামতী ডলফিন মোড়, হোটেল-মোটেল জোন, লাবণী, শৈবাল সড়ক ঢেকে যায়। এতে তীব্র যানজট লেগে যাচ্ছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ বলেন, তিনদিনের ছুটিতে আমাদের সব হোটেল বুকিং আছে। অনেক পর্যটক অনলাইনে অনলাইনে রুম চাইলেও তাদের দিতে পারছি না। আশাকরি এই তিনদিনে ৩ লাখ পর্যটক সমাগম হতে পারে।

পর্যটকদের দায়িত্বে নিয়োজিত সী-সেইফ লাইফ গার্ড  ইনচার্জ ওসমান গণি বলেন, বৃহস্পতিবার থেকে সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের চাপ বেশি। যা আমাদের সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে । তারপরও পানিতে নেমে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে তার জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।

টুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিয়ন ওসি গাজী মিজান বলেন, কক্সবাজার জেলায় যত পর্যটন স্পট রয়েছে সেখানে ৩দিনের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পর্যটকদের যেন কোন প্রকার হয়রানি না হয় সেজন্য হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে।

কক্সবাজার পর্যটন সেলের ম্যাজিস্ট্রেট  মাসুম বিল্লাহ বলেন, আমরা ২৪ ঘণ্টা মাঠে আছি। বীচ কর্মীরা সার্বক্ষণিক টহলে রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত নিয়মিত টহল দিচ্ছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত।

আগেবিশ্বকাপের সেরা গোল ব্রাজিলের রিচার্লিসনের
পরেহাসিনা-কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নতুন কমিটিতে যারা