এ.এম হোবাইব সজীব,মহেশখালী
মহেশখালী উপজেলার উত্তর নলবিলা থেকে অবৈধ বালি ভর্তি ১টি ডাম্পার গাড়ী আটক করেছে শাপলাপুর স্প্যাশাল বনকর্মীরা। এমনকি বালি ভর্তি গাড়ী আটক করলে একটি চক্র পার পেতে ধর্মীয় প্রতিষ্টানে বালি নিয়ে যাচ্ছে এমন অজুহাত দেখিয়ে মহেশখালী বন বিভাগের স্প্যাশাল ফোর্সের বিরুদ্ধে বিভিন্ন টালবাহানা করে যাচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে। তবে অবৈধ বালি ভর্তি ডাম্পার গাড়ীটি জব্দ করায় স্থানিয় এলাকাবাসী বনকর্মীদের সাধুবাদ জানিয়েছেন। ৪ আগস্ট রবিবার সকালের দিকে চালিয়াতলী বালুর ডেইল থেকে ডাম্পার যোগে বালি নেয়ার সময় মহেশখালী বনবিভাগের স্প্যাশাল ফোর্সের প্রধান ও জেএম ঘাট উপকূলীয় বন বিট অফিসার নূরুল হোছাইনের নেতৃত্বে একদল বন কর্মী উক্ত গাড়িটি জব্দ করে শাপলাপুর বনবিট অফিসে নিয়ে যায়। তবে বন কর্মীরা কাউকে নাজোহাল না করার পরেও ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এক ভান্তকে নাজেহাল করেছে বলে অভিযোগ তুলতে ফাঁয়তারা চালাচ্ছেন একটি অশুভ চক্র বলে বনকর্মীরা দাবি করেছেন। সূত্র জানায়, উপজেলার কালারমারছড়া চালিয়াতলী সরকারি চড়া ( বন বিভাগের) জায়গার সাথে লাগায়ো এলাকা থেকে প্রশাসনের কোন অনুমতি ছাড়া বালি উত্তোলন করে বিক্রিকালে বালিসহ গাড়ী জব্দ করেছে বন বিভাগের স্প্যাশাল ফোর্সের কর্মকর্তারা। জানাগেছে,প্রতি বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলে বালি এসে উক্ত চড়ার উপর পড়ে। এতে জমে থাকা বালি সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কোন অনুমতি ছাড়া বালি উত্তোলন করে বিক্রি করে যাচ্ছে স্থানিয় প্রভাবশালীরা। বিভিন্ন সময় সহকারী (কমিশনার ভূমি) মহেশখালী অভিযান চালিয়ে বালি ভর্তি ডাম্পার জব্দ করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও করেছেন। তার পরেও চালিয়াতলী থেকে বন্ধ করা যাচ্ছে বালি উত্তোলন ও বিক্রি। বালি উত্তোলন করার ফলে পাশ্ববর্তী বসতবাড়ি,মসজিদ, মাদ্রাসার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে স্থানিয় এলাকাবাসীর সূত্রে জানাগেছে। অভিযানে নেতৃত্বদানকারী বন বিট কর্মকর্তা নূরে হোছাইন সাংবাদিকদের বলেন, জব্দকৃত গাড়ি ছাড়ার কোন এখতিয়ার নেই। তাই আমি একটি চক্র দেনদরবার করলে গাড়ী ছাড়ি নাই।












