এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও
জেলা সদরের বৃহৎ ঈদগাঁওর পশুর হাটে এবার দেশীয় গরু মহিষের সয়লাভ । বিগত বছরের তুলনায় এবছর দ্বিগুন দাম নিয়ে বিপাকে পড়েছে ক্রেতারা। চট্রগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ঈদগাঁও বাসষ্টেশনের দুপাশ জুড়ে কোরবানীর পশুর হাট যেন জম জমাট আকার ধারন করছে। তবে মহাসড়কের উপর পশুর বাজার হওয়াতে দুরপাল্লাসহ স্থানীয় যানবাহনে চলাচলে নিদারুন কষ্টের পাশাপাশি যানজটে জনদূর্ভোগে চরমে উঠেছে। আর কটা দিন পার হলেই কোরবানের ঈদ। এ ঈদে বৃহত্তর ঈদগাঁওর প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চল থেকে আসা ক্রেতা বিক্রেতা ছাড়াও পাশ্বর্বতী রামুর ঈদগড়, রশিদ নগর,চকরিয়ার খুটাখালী,ডুুুলাহাজারা, নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারীর লোকজনও প্রতিবছর কোরবানের পশু ক্রয়-বিক্রয়ের লক্ষে ঈদগাঁওর বৃহৎ গরু মহিষের হাটে এসে থাকে। ৬ আগষ্ট বিকেলে দেখা যায়, ষ্টেশনের দুপাশ জুড়েই পশু আর পশু চেয়ে গেছে। ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড় যেন লক্ষ্যনীয়। বাজারে আসা দুয়েক বয়োবৃদ্বরা এবার কিন্তু গরু মহিষের দ্বিগুন দামের কথা। কেউ আসছে একক ভাবে কোরবানের পশু ক্রয়ের জন্য আর কেউ আসছে যৌথ ভিত্তিকে কোরবানের পশু কিনতে। তবে এ বাজারে মাঝারী আকার গরু মহিষের চাহিদার চিত্র চোখে পড়ছে। অন্যদিকে সড়কের পাশঘেঁষে গরু মহিষ দাঁড় করিয়ে বিক্রি করছে বিক্রেতা। ক্রেতাসহ যানবাহন চলাচলে ভোগান্তিতে পড়ছে। রশিদনগর কাহাতিয়া পাড়ার এক গরু বিক্রেতা কক্সবাজার প্রতি দিনের প্রতিবেদককে জানান, তার পালিত শখের পশুটি কোর বানের বাজারে বিক্রি করতে হাট বাজারে এনেছে। তবে দাম দিয়েছে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। কিন্তু ন্যায্য দাম না পাওয়ায় বিক্রি করতে পারেনি গরুটি। ভারুয়াখালীর আরেক গরু বিক্রেতা জানান, তার বাড়ীর দুটি বড় গরুর দাম দেননি। তবে কেনার ক্রেতা নেই বলে জানালের পথ চারীরা। পশুর হাট দেখতে আসা ওর্য়াড় ছাত্র লীগ সভাপতি মো: আইয়ুব আলীর সাথে কথা হলে তিনি গরুর বাজারটি বিগত বছরের ন্যায় এবছর সুন্দর হয়েছে। পরিবেশও ভাল লেগেছে। গরু মহিষ আলাদা আলাদা পরিসরে বিক্রি হচ্ছে। এতিহ্যবাহী পশু বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট থাকলেও নেই চেকিংয়ের লোকজন। নেই পুলিশী টহল। ইসলামী ব্যাংকের পক্ষ থেকে জালনোট সনাক্ত করন বুথ দেখা গেছেে। তবে কয়েক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঈদগাঁও পশুর হাটে গরু মহিষের দাম বৃদ্বি। সচেতন মহল,একাধিক পথচারীরা জানিয়েছেন, প্রতি বছরের ধারায় এবারও মহাসড়ক দখল করে পশুর হাট বসে। নির্ধারিত স্থান না থাকায় মহা সড়কের উপর রাখা হচ্ছে গরু মহিষ। এতে সাধারণ জনগন প্রতি নিয়ত একের পর এক দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। গরু বাজারের নির্ধারিত কোন মাঠ না থাকায় মহাসড়কের উভয় পাশে গরু-মহিষ রাখার ফলে বাড়ছে তীব্র যানজট। বাজারের জন্য নির্ধারিত কোন ফাঁকা মাঠ বা জায়গা নেই। ষ্টেশনের গ্রামীন ব্যাংক এলাকা থেকে কলেজ গেইট পর্যন্ত জন ও যান চলাচলের সড়কের উভয় পাশে রাখা হয়েছে অসংখ্য পশু। যার ফলে বাসষ্টেশনে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বেশিভাগ। শিক্ষার্থীদের মতে,চট্রগ্রাম-কক্সবাজার বাস ষ্টেশনের মহাসড়কে পশু রাখায় শিক্ষার্থী দেরকে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আবার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা নানা বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছে প্রায়শ:।












