[post_category_links]

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

[post_sub_title]
[post_reporter_with_date]

 

গত ৭ আগষ্ট ২০১৯ ইং দৈনিক সকালের কক্সবাজার এবং অনলাইন সংবাদ মাধ্যম কক্সবাজার নিউজ ডটকম এ “রামুতে ভূয়া ওয়ারিশ সাজিয়ে ব্যক্তি মালিকানাধিন জমি বিক্রি ॥ আটক ১” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সংবাদটি অতিরঞ্জিত, সাজানো এবং ষড়যন্ত্রমূলক। সংবাদে নির্মল ধরের পিতার নাম রামচন্দ্র ধর নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে নির্মল ধরের বাবার নাম রামচন্দ্র ধর প্রকাশ হরি ধর। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রদত্ত একাধিক ওয়ারিশ সনদপত্রে তার পিতার নাম রামচন্দ্র ধর উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইতিপূর্বে ভোটার তালিকা প্রনয়ণের সময় রামচন্দ্র ধর বাড়িতে ছিলেন না। ওই সময় তার স্ত্রী অজ্ঞতাবশত রাম চন্দ্র ধরের পরিবর্তে তার প্রকাশ নাম হরি ধর হিসেবে তথ্য দেন। যে কারনে ভোটার পরিচয়পত্রে রাম চন্দ্র ধরের পরিবর্তে হরি ধর লিপিবদ্ধ হয়েছে। ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম ২০০৯ সালের ৮ মার্চ এবং ২০১০ সালের ৭ জুন রামচন্দ্র ধর, পিতা-লক্ষ্মন চন্দ্র ধর এর নাম উল্লেখ করে পৃথক ওয়ারিশ সনদ প্রদান করেছেন। স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির ইন্ধনে পরীক্ষিত ধরের ছেলে অজয় ধর জাতীয় পরিচয় পত্রে ভুলের এ সুযোগে মিথ্যা ও সাজানো মামলা দায়ের করে আমাদের হয়রানি এবং অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি ২০১০ সালে প্রকৃত ওয়ারিশ রামচন্দ্র ধর প্রকাশ হরি ধরের ছেলে নির্মল ধরের কাছ থেকে ৪০ কড়া জমি ক্রয় তথায় বসত বাড়ি, চলাচলের রাস্তা এবং গাছপালা রোপন করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলে আছি। এ জমিটি বর্তমানে আমার নামে সৃজিত খতিয়ানভূক্ত। যার বিএস খতিয়ান নং ৩১৮৫। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রতারনা মামলা দিয়ে অনর্থক আমাদের হয়রানি করা হচ্ছে। মামলাটির বাদি অজয় ধর নিজেই একজন প্রতারক। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধিন রয়েছে। এর মধ্যে অজয় ধর সিআর চাঁদাবাজি মামলার (নং ৫৯/১৯) ৪ নং, সিআর মামলা (তাং ৬/৫/১৯) এর ২ নং এবং এমআর মামলা (নং ২৭৩/১৯) এর ৩ নং আসামী। আমি একজন নিরীহ ব্যক্তি। দীর্ঘদিন মৎস্য ব্যবসার মাধ্যমে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। এছাড়া সংবাদে নির্মল ধরকে আটকের কথা বলা হলেও প্রতারনার মামলাটি মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে তাকে ৭ আগষ্ট জামিনে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এরপরও আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তাই আমি এ মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করছি।

প্রতিবাদকারি
শশাংক বড়ুয়া, পিতা-শ্যামাচরন বড়ুয়া
বনিকপাড়া, উত্তর ফতেখাঁরকুল, রামু

[category_title title="সর্বশেষ" slug="সর্বশেষ"]

[category_title title="এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়" slug="#"]