সড়কে থামছেনা মৃত্যু : জনসচেতনতা জরুরী 

0
13

 

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও

সড়কে থামছেনা মৃৃত্যু। প্রতিদিনই জেলার কোন না কোন এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। আহত হচ্ছে অনেকে। পত্রিকার পাতা উল্টালেই মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনার নানা খবরাখবর চোখের পলকে ভেসে বেড়ায়। গত কদিন পূূূর্বে চট্রগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কের ইসলামাবাদ-ইসলামপুুুরে পৃৃৃথক সড়ক দূূূূর্ঘটনায় তিন দিনের ব্যবধানে ৩ জন নিহত হয়েছে। তৎমধ্যে-১৫ আগস্ট দুপুরের দিকে  ইসলামপুরের পূর্ব নাপিতখালীর মো: কালু ঈদগাঁও বাজারে যাওয়ার জন্য ইজিবাইক (টমটমে) উঠছিল। এসময় কক্সবাজারমুখী হানিফ পরিবহনটি সজোরে কালুকে ধাক্কা দিলেই ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয় এবং আরো একজন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছে। তদন্ত কেন্দ্রের এক এএসআই স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘাতক বাস জব্দ ও চালককে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে রাখে। তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। ১৬ আগষ্ট দুপুরের দিকে ইসলামপুর সাইন‌বোর্ড এলাকার টা‌র্নিং প‌য়ে‌ন্টে টমটম‌কে ওভারটেক করতে গিয়ে পূর্বাণী পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে হেলপার নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে বেশ কজন আহত হয়েছে। নিহত হওয়া ব্য‌ক্তির প‌রিচয় পাওয়া যায়‌নি। নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ। ১৭ আগষ্ট সকালের দিকে ইসলামাবাদে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় এক শিশু কন্যা নিহত হয়।  কক্সবাজারমুখী সেন্টমার্টিন পরিবহন নামক বাসটি অন্য একটি গাড়িকে সাইড দিতে গেলে দক্ষিণ খোদাইবাড়ি লালব্রীজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সুমাইয়া (৭) স্থানীয় জুনায়েদের মেয়ে। মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জের মতে, রাস্তা পারাপার কালে বাসটি মেয়েটিক সজোরে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলে মেয়েটির মৃত্যু হয়। সচেতন মহলের মতে, অদক্ষ চালক আর অনিয়মিত যানবাহন চলাচলের কারনে প্রায়শ দূর্ঘটনা বৃদ্বি পাচ্ছে। এতে দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে সাধারন মানুষ। সড়ক দুর্ঘটনার বিশেষ উল্লেখযোগ্য কারণগুলো মোটামুটি সকলেরই জানা। অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, ট্রাফিক আইন উপেক্ষা, ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহন,সড়কে ক্ষুদ্র ও কমগতির যানবাহন বিশেষত, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা,রিকশার অবাধ চলাচল, ভাঙচোরা ও বাঁকবহুল সড়ক, সড়কে হাটবাজার ইত্যাদি অধিকাংশ সড়ক দুর্ঘটনার কারণ। আবার অদক্ষ ও আধাদক্ষ চালক। প্রশিক্ষণ নেই, দক্ষতা নেই, লাইসেন্স নেই এমন চালকরা গাড়ি চালানোর ফলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে। হরহামেশা দুর্ঘটনা ঘটছে এবং মানুষ সেসব দুর্ঘটনায় হতাহত হচ্ছে। একথাও কারো অজানা নেই, সড়ক মহাসড়কে দখল, হাটবাজার ও দোকানপাট উচ্ছেদের নির্দেশনাও কার্যকর হয়নি বা হয়না। এমতাবস্থায়, সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কিভাবে কমতে পারে? বলা বাহুল্য, সড়ক দুর্ঘটনার চিহ্নিত কারণগুলো দূর করা মোটেই অসম্ভব নয়। সংশ্লিষ্টরা সতর্ক, সচেতন ও দায়িত্বশীল হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও সংখ্যা কমিয়ে আনা যায়। এক্ষেত্রে যাত্রী ও পথচারিদের সচেতনতা ও আইন মান্য করা জরুরি। অতিরিক্ত যাত্রী হওয়া কিংবা যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়া উচিৎ নয়। দুর্ঘটনার জন্য যাত্রী-পথচারীদের অসচেতনতা, অপরিনামদর্শিতা ও আইন অমান্য করার প্রবণতা বিশেষভাবে দায়ী।ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশের সাধারন সম্পাদক কাইয়ুম উদ্দিন জানান, জনসচেতনতা দরকার। মহাসড়কের যেখানে সেখানে তিন চাকার যানবাহনের কারনে দূর্ঘটনা বৃৃৃৃদ্বি পাচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ন এলাকায় জেব্রা ক্রসিং দিলে হয়তো সড়ক দূঘটনা কমে যেতো বলে মনে করেন। ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দের ইনচার্জ আসাদু জ্জামান মুঠোফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আগে আওয়ামী লীগ নিয়ন্ত্রন করছে রাজাকারের সন্তানেরা!
পরেজালালাবাদ কমিউনিটি পুলিশের সভাপতির পিতা ছৈয়দ মোহাম্মদের মৃত্যু : শোক প্রকাশ