কক্সবাজার খবর রিপোর্টঃ
রামুতে মিথ্যা ধর্ষন মামলায় জড়িয়ে হায়াত উল্লাহ নামের এক নিরীহ ব্যক্তিকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। গত ২০আগস্ট উক্ত নাটকীয় ও মিথ্যা মামলায় তাকে আটক করে রামু থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় এলাকার মানুষের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রামুর চেরাংঘাটা হাইটুপি এলাকায় ।হায়াত উল্লাহ রামুর কাউয়ারখোপের ফুলনীরচর গ্রামের মৃত আবদু শুক্কুরের পুত্র। আদালতে হায়াত উল্লাহকে জামিনের লিখিত আবেদন ও স্থানীয়সুত্রে জানা যায়, জৈনিক ওমর আলী নিজের পরিবারে দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপানোর উদ্দেশ্যেই একটি নাটক মঞ্চায়ন করেছে। এ নাটকের বলির পাঠা বানানো হয়েছে নিরীহ হায়াত উল্লাহকে। মামলার ভিকটিক ওমর আলীর বাসায় ঝিয়ের কাজ করত, সেই সুবাদে তার পরিবারে সদস্যদের দ্বারা ভিকটিম ধর্ষিত ও অন্তঃস্বত্বা হয়েছে বলে জানা গেছে । মূলত ভিকটিমের মা বাবা ওমর আলীর পুত্র ও কন্যাদ্বয়ের স্বামীদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে এই ভয়ে আগে ভাগে নিজের অর্থ ব্যয় করে ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার জন্য ধর্ষনের ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে নিরীহ হায়াত উল্লাহর ঘাড়ে চাপানো হয়েছে। ভিকটিমের পিতা ও মাতা রয়েছে, তারা কোন মামলা করে নাই। ভিকটিম নিজেই কোন মামলা দায়ের করে নাই। বিষয়টি নিয়ে তারা কোথায় কোন অভিযোগও করে নাই। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের ওমর আলী অতি উৎসাহী হয়ে সাজানো মামলাটি করায় তার উদ্দেশ্য ও ষড়যন্ত্রের বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ পায়। মামলার এজেহারে স্বাক্ষী দেখানে হয়েছে ওমর আলীর মেয়ে,ছেলে ও শ্যালককে।
নিয়মানুযায়ী একটি ঘটনা যেখানে সংঘটিত হয় সে স্থানের আশ পাশের লোকজনের মুখজবানীর উপর ভি্ত্তি করে স্বাক্ষীর নাম দেওয়া হলে ঘটনার বাস্তব চিত্র সম্পর্কে অবগত হওয়া যায় নিঃসন্দেহে। কিন্তু এ ঘটনাটিতে তার উল্টো্। এ বিষয়ে স্থানীয়রা পুলিশের ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সংঘটিত ঘটনার র্পাশ্ববর্তী ফার্নিচারের এক দোকানদার জানান, নারী বা ধর্ষন জাতীয় এ রকম কোন ঘটনা এখানে সংঘটিত হয়নি, হয়ে থাকলে আমরা অবশ্যই জানতাম।
এব্যাপারে জানতে চাইলে ফতেখারকুল ইউপি সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দা সন্তোষ বড়ুয়া জানান,এই ধরনের ঘটনার বিষয়ে আমরা কিছুই বুঝে উঠতে পারছিনা।যে মুরগীর দোকানে ধর্ষনের কথা বলা হয়েছে সেটিতে কোন ঘেরা-বেড়া নেই। এ কারণে দোকানটিতে কোন ধর্ষনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আমার মনে হচ্ছে না।
স্থানীয় সাবেক মেম্বার সুরেশ বড়ুয়া জানান,তার কাছেও এ ধরনের উন্মুক্ত স্থানে ধর্ষনের কথা বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না।
রামু বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধা মোজাফ্ফর আহমদ জানান,মুরগীর দোকানের ছেলেটি আমার প্রতিবেশী তার ব্যাপারে এ রকম কোন অভিযোগ কখনও শুনিনি। এছাড়া যে স্থানে ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। সেটি নিয়েও আমি সন্দিহান।মুলত নিজেদের অপকর্মের দোষ হায়াত উল্লাহর ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। ঘটনার বিষয়ে উমর আলীর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এব্যাপারে এলাকার জনসাধারন তদন্তপূর্বক প্রকৃত ঘটনা উৎঘাটনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।













