বার্তা পরিবেশকঃ
রামুতে আদালতের মামলা কে তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বড় ভাই কর্তৃক ছোট ভাইয়ের জমি দখল করার চেষ্টা ও প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকি, এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রীতি বড় ভাই আব্দুল মোমেন চৌধুরী ছোট ভাই রিদুয়ানুল হক চৌধুরীর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত এবং দীর্ঘ দিন ভোগ দখলে থাকা জমি দখল করার জন্য ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে গত ২৪ আগস্ট সকাল ১১ টার সময় রামু ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের লামার পাড়া এলাকায় চৌধুরী বাড়িতে হামলা করে ঘরা ভাঙচুর করে এবং মারধর করে এতে রিদুয়ানুল হক চৌধুরী ও তার মা গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে রামু থানা প্রশাসন ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসী জানান আব্দুল মোমেন চৌধুরী ছোট্ট কাল থেকে বাংলাদেশ ডাক বিভাগে চাকরির সুবাদে আজ পর্যন্ত ঢাকায় সপরিবারে বসবাস করিয়া আসিতেছে তিনি একজন সম্মানী ব্যক্তি। চৌধুরী বাড়ির ভিটায় তার কোন ঘরবাড়ি বা গাছপালা ও দখল আমল ছিল না। প্রশাসনের কিছু লোককে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেই ভুয়া সৃজিত খতিয়ান বানিয়ে বারবার পিতৃহারা ছোট ভাই রিদুয়ানুল হক চৌধুরী কে হয়রানি করে যাচ্ছে জানান ভুক্তভোগি রিদুয়ান। এই নিয়ে এলাকায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিন্দার ঝড় তুলেন এলাকাবাসী। ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের সম্ভ্রান্ত পরিবার অফিসেরচর লামার পাড়া এলাকার বিশিষ্ট জমিদার মৃত সুলতান আহমদ চৌধুরীর ছোট ছেলে জমির মালিক ভুক্তভোগী রিদুয়ানুল হক চৌধুরী জানান পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত দীর্ঘদিন ধরে আমার দখলে থাকা বাড়ি ভিটিায় গাছপালা লাগিয়ে টিনসেট ঘর নির্মাণ করে টিউবল বসিয়ে সুন্দর ভাবে বসবাস করে আসিতেছি। প্রভাবশালী একশ্রেণীর রাজনৈতিক নেতার ইন্ধনে আমার বড় ভাই আবদুল মোমেন চৌধুরী সুদূর ঢাকা থেকে হুকুম দিয়ে পার্শ্ববর্তী পাড়ার মৃত হারুনুর রশিদের সন্ত্রাসী পুত্র আবু রাশেদ, আবু শাদেদ, তার ফুফাতো ভাই পিএমখালী ইউনিয়নের ছনখোলা এলাকার এমদাদুল হকের ছেলে বিভিন্ন মামলার আসামি সন্ত্রাসী শহিদুল্লা কে দিয়ে শতাধিক বহিরাগত ভাড়াটিয়া পুরুষ ও মহিলা সন্ত্রাসী এনে আমার বাড়ি ভিটার জমির ঘেরা ভাঙচুর করে এবং খুঁটি দিয়ে জবর দখলের চেষ্টা করে ও বৈদ্যুতিক মিটার কেটে নিয়ে যায় এবং আমি ও আমার মা কে মারধর করে। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন গিয়ে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে আমাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতলে চিকিৎসা দে। ভুক্তভোগী রিদুয়ানুল হক চৌধুরী আরও জানান কক্সবাজার বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ (২য়) আদালতে স্থাবর সম্পত্তি বিভাগ ও উচ্চারণের মোকদ্দমায় ৯ জন কে অভিযুক্ত করে অপর ১৯৪/২০১৫ মামলা করেন আমাদের বড় ভাই মৃত আবদুল মালেক চৌধুরী , বর্তমানে মামলাটি শুনানি পর্যায়ে আছে। আমাদের বড় ভাই আব্দুল মোমেন চৌধুরী সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিভিন্ন সময় আমাদের জমি দখল করার জন্য হুমকি দিয়ে আসছিল, তার কোন দলির পত্র নাই, গত ৩০/৯/২০১৬ ই রামু থানায় হারুনর রশিদের সন্ত্রাসী পুত্র আবু রাশেদ কে অভিযুক্ত করে অজ্ঞাতনামা সাত-আটজন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি করি যার নম্বর ১২৯২। তার ধারাবাহিকতায় সন্ত্রাসীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।এ ঘটানায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দিন দুপুরে একটা চৌধুরী পরিবারে হামলা চালানো নিন্দনীয় সুষ্টু তদন্ত পূর্বক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগি পরিবার। গত ২৬ আগস্ট দৈনিক দেশ বিদেশে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবাদে আমার বড় ভাই আবদুল মোমেন চৌধুরী দাবি করেন ১৯৪৬ ইংরেজি তে আমার বড় আম্মা মৃত গুলসোনা বেগমের নামে জমি ক্রয় করেছে পরবর্তীতে আমার বড় ভাই আব্দুল মোমেন চৌধুরীকে ৪০ শতক জমি দান করার কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত অন্যান্য সব ভাইদের কে নিয়ে পারিবারিক বৈঠক কিংবা এলাকার বিভিন্ন সালিশি বৈঠকে আমার বড় ভাই কোন কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই। একজন শিক্ষিত মানুষ হয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কেন আমাদের অন্যান্য সকল ভাইকে বারবার হয়রানি করে যাচ্ছে।সাংবাদে ইউনিয়ন পরিষদের যে বিচারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমাদের কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং আদালতে মামলা থাকা কালীন কিভাবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমাদের কে না জানিয়ে একতরফা রায় দিল তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমার বড় ভাইের লালিত সন্ত্রাস কর্তৃক আমার জায়গার চতুর্পাশে পাশের ঘেরা ভাঙচুর করে ও বৈদ্যুতিক মিটার ভাঙচুর করে এবং আমাদের কে মারধরের কথা কিন্তু আমার বড় ভাই সংবাদে অস্বীকার করে। ঘটনার বিষয়ে এলাকাবাসী ও প্রশাসনের লোকজন অবগত আছে। আমার বড় ভাই কর্তৃক সন্ত্রাসীদের কে হুকুম না দিলে ঘটনার বিষয়ে আমার বড় ভাই আব্দুল মোমেন চৌধুরী কিভাবে পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। পিতৃহারা ভুক্তভোগী রিদুয়ানুল হক প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে বলেন আমার বড় ভাই আব্দুল মোমেন চৌধুরীর কর্তৃক বিভিন্ন মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা ও বিভিন্ন অপপ্রচার থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য প্রশাসন ও এলাকাবাসীর সহযোগিতা চান ছোট ভাই রিদুয়ানুল হক চৌধুরী।













