প্রবাসীর স্ত্রী কে জবাই করে হত্যা!

0
458

মুহাম্মদ তৈয়্যবুল ইসলাম, রাঙ্গুনিয়া

রাঙ্গুনিয়া উপজেলার হোছনাবাদ ইউনিয়নের সেগুনবাগান এলাকার নিচিন্তাপুর সড়কের পাশে, রবিবার বিকাল ৩টার সময় সেলি আকতার ৪০ নামে এক প্রবাসী র, স্ত্রীর, গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ।

নিহত সেলি আকতার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের মালিরহাট এলাকার মৌলভী পাড়ার হাজী রফিকুল কদরের মেয়ে।
নিহতের সঙ্গে থাকা কাজের মেয়ে রুমা আকতার বলেন, নিহত সেলি আকতারের স্বামী শাহ আলম বিদেশে মাংশ পাঠাতে বলেন তার বন্ধুর দিয়ে, তিনি  রবিবারে বিদেশে চলে যাবেন তাই তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তার মাধ্যমে মাংশ গুলো বিদেশে পাটাতে বলেন, নিহত সেলি আকতার তার বাড়ি হতে মাংশ নিয়ে রাঙ্গুনিয়া চন্দ্রঘোনা লিচুবাগানের উদ্দেশ্যেই সিএনজি গাড়ি করে লিচুবানে আসলে, নিহতের স্বামী র খালতো ভাই বলে এক ব্যক্তি ১টি সিএনজি গাড়ি নিয়ে দুজন এসে তাদের সাথে পরিচিয় হয়, নিহত সেলি আকতার তাদের হাতে বাড়ি থেকে নিয়ে আসা মাংশ গুলো তাদের কে দিতে চাইলে তারা বলেন, ভাবি এভাবে খালি মুখে আপনাদের কে কিভাবে বিদায় দিব, আমাদের সাথে আপনারা আমার বাড়িতে চলেন, আমাদের বাড়িটাও চিনে আসবেন কিছু খেয়েও আসবেন, তখন সেলি আকতারের সাথে থাকা রুমা বলেন ভাবি আজ যাব না, অন্য একদিন সময় করে যাব, এ কথা শোনে স্বামীর কালতো ভাই পরিচয় দানকারী ব্যক্তি বলেন আজ আপনার না গেলে আমার কালতো ভাই আমার সাথে রাগ করবে, আমাকে গালি দিবে, তাদের এমন রিকুয়েস্ট বাবি আর পেলতে পারেনি, তাদের সঙ্গে যাওয়ার জন্য রাজি হলেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে আসা সিএনজি গাড়িতে উঠল সবাই, তখন নিহত সেলি আকতার বলেন আমরা কোথায় যাব, তখন কালতো ভাই পরিচিয় দানকারী বলেন,
নিচিন্তাপুর দিয়ে আমাদের বাড়িতে নিয়ে যাব বলে তাদের কে গাড়িতে তোলে রওনা দেন, মাঝ পথে গিয়ে অর্থাৎ সেগুনবাগান ফেলে নিচিন্তাপুর সড়কের পাহাড় কাটা এলাকায় পৌচালে সিএনজি গাড়িটি হঠ্যাৎ ব্যারেক করে রাস্তার একপার্শে চলে যায়, তখনই অজ্ঞাত দুজন মুখোশ ধারি লোক হাতে একটি চুরা নিয়ে তাদের কে গাড়ি হতে টেনে হিজড়ে নামিয়ে জঙ্গলে দুজনকে দুদিকে নিয়ে যায়, কাজের মেয়েটিকে দুহাত বেধে পাহাড়ের ঝিরিতে ফেলে দেন,অপর পাশে সেলি আকতারের সাথে থাকা মোবাইল, স্বর্ণ, টাকা কেড়ে নেয়,নিয়ে তারা তাকে মাটিতে ফেলে জবাই করতে চাইলে সেলি আকতার তাদের নিকট জীবন ভিক্ষা চেয়ে বলে, তোমরা যা চাইবে তাই দিব তার পরেও আমাকে মারিও না, এই কথা বলার পর পর তাকে জবাই করে দেয়, পরে তারা সিএন জি নিয়ে পালিয়ে গেলে। কাজের মেয়েটির চিৎকার শোনে পার্শবতী এলাকার লোকজন এসে পুলিশ কে খবর দেন পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়।
আজ রাত ৮টায় নিহতে সঙ্গে থাকা, রুমা আকতারের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম আজানা কথাগুলো।
নিহত সেলি আকতারের ভাইয়ে অভিযোগ করে বলেন,নিহতের স্বামীই পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যা কান্ড ঘটিয়েছে, নিহতের ভাই নিহত সেলি আকতারের স্বামী কে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত কয়েক জনের বিরোদ্ধে মামলা করেন।

আগেকুতুপালং ক্যাম্প হতে ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা আটক
পরেঅস্ত্র নিয়ে ভারতের সংসদে হামলার চেষ্টা