কক্সবাজার খবর ডেস্কঃ
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কোথায় আছেন জানে না কেউ। বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি ঘিরে যখন বিএনপি-যুবদল-ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতারা ব্যস্ত, তখন খবর নেই এ দুই শীর্ষ নেতার। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতেও নেই তারা।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা হয়েছিল বলে যুবদলের জন্ম হয়েছে, না হলে যুবদলের কোনো অস্তিত্ব থাকতো না। বিএনপি আমাদের অভিভাবক সংগঠন, এ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সারাদেশে যুবদলের ইউনিট কমিটি নানা কর্মসূচি হাতে নিলেও দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কোনো কর্মসূচি নেয়নি। তবে এটা ঠিকদক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভায়ও তারা উপস্থিত ছিলেন না, কেন ছিলেন না আমি জানি না। তবে জেলা যুবদলের অনেক নেতা বিএনপির আলোচনা সভায় অংশ নিয়েছে।
সূত্র জানায়, গত রোববার বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সারাদেশে বিএনপি যুবদল ছাত্রদল নানা কর্মসূচি হাতে নিলেও ব্যতিক্রম চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদল। দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দক্ষিণ জেলা যুবদলের ছিল কর্মসূচি। যার কারণে হতাশ ও ক্ষুদ্ধ জেলার নেতারা। যুবদলের আলাদা কর্মসূচি না থাকলে দক্ষিণ জেলা বিএনপি নগরীর দোস্ত বিল্ডিংয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে। সেই আলোচনা সভাতেও দেখা মেলেনি দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহজাহান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আজগরকে।
দলীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ জেলা যুবদলের কমিটি গঠন হওয়ার পর থেকে তারা নিরবিচ্ছিন্নভাবে কর্মসূচি পালন করে আসছে। এর কারণ হিসাবে জানা যায়, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহজাহান আনোয়ারা আসনের বিএনপির সাবেক সাংসদ সরোয়ার জামাল নিজামের অনুসারী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোর্শেদ খানের অনুসারী। যার কারণে তারা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে কোনো সমাবেশে যায় না।
যুবদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক দুই নেতার রাজনৈতিক অভিভাবকের সাথে কমিটি গঠনসহ নানা কারণে জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধ রয়েছে। ফলে দক্ষিণ জেলা বিএনপির নতুন কমিটি হচ্ছে, কারা আসছে না কারা আসছে দুই শীর্ষ পদে সেটার হিসাব নিকাশ করছে যুবদল। কারণ এখন যদি জাফরুল ইসলামের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেয়, তাহলে কমিটিতে যদি জাফরুল ইসলাম আসতে না পারেন তাহলে তারা কোণঠাসা হয়ে যাবে এমন আশঙ্কা থেকে তারা বেশ কয়েকটি প্রোগ্রামে তারা অংশ নিচ্ছে না জানাই এক যুবদল নেতা।
জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহজাহান বলেন, আমাদের যুবদলের আলাদা কোনো কর্মসূচি এবার ছিল না। তবে সবসময় আমরা আলাদা কর্মসূচি পালন করি। আমার পারিবারিক সমস্যার কারণে বিএনপির আলোচনা সভায় থাকতে পারিনি। সেক্রেটারি আজগরের মা অসুস্থ থাকার কারণে তিনিও থাকতে পারেনি। তবে আমরা থাকতে না পারলেও আমাদের প্রতিনিধি ছিল। অন্য কোনো সমস্যা ছিল বলে জানান তিনি।











