এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও
সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে ভাড়া তালিকা না থাকায় ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। এতে ক্ষুব্ধ ঈদগাঁওবাসীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত লোকজন। বহু সময় অতিরিক্ত ভাড়া দাবী নিয়ে বাকবিতন্ডা হচ্ছে চালক-যাত্রীদের মধ্যে। বিভিন্ন স্থানে চালকদের হাতে নাজে হাল হচ্ছে যাত্রীরা। সম্মানের ভয়ে যাত্রীরা অতিরিক্ত ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছে। ঈদগাঁও বাজারসহ অলিগলির সড়কে রিক্সা ভাড়া নিয়ে বিপাকে মানুষরা। বাজার ছাড়াও পাড়া-মহল্লা বা গ্রামীন সড়কে কোথাও না কোথাও রিক্সা ভাড়া নিয়ে যাত্রী-চালকদের কথাকাটা কাটিসহ এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। আবার বৃষ্টি হলে,সেই অযুহাতে রিক্সা চালকদের অতিরিক্ত ভাড়ার আবদার যেন চোখে পড়ার মত। প্রতিনিয়তই রিক্সা চালকরা নিজেদের ইচ্ছে মতো ভাড়া নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ঈদগাঁও বাজার,ষ্টেশনসহ গ্রামীন সড়ক-উপ সড়ক জুড়েই দীর্ঘবছর ধরে নেই কোন রিকসা ভাড়া তালিকা। যেনতেন ভাড়া আদায় করে চলছে চালকরা। দ্বিগুন থেকে তিনগুন ভাড়া গুনতে হয় যাত্রীদের। অনুমতিবিহীন রিকসার ছড়াছড়ি যেন গ্রামগন্জে। এদিকে ছোট ছোট কিশোরদের হাতে অটোরিকসা। রিকসার মালিকরা যাচাই বাচাই না করে অর্থের মুহে পড়ে ভাড়া দেয় এসব কিশোরদেরকে। যানবাহন চালানোর সময় নিজের সাইট কোনটি সেটিও জানেন না তারা। প্রায়শ সকাল থেকে রাত অবধি পর্যন্ত শিশুদেরকে রিকসার পেটোল মারতে চোখে পড়ে।
কয়েক রিক্সা চালকরা জানান,আমরা ভাড়ায় রিক্সা চালায়। মালিককে দ্বিগুন টাকা গুনতে হয়। এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম যেভাবে বাড়ছে,রিকসা ভাড়া যদি দুয়েক টাকা বাড়িয়ে না নিই,তাহলে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে চলতে পার বোনা।
ঈদগাঁও বাজারে নেই ভাড়া তালিকা। তবে স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিরা যদি রিক্সার ভাড়া নিধার্রন করে দেয়,তাহলে কিছুটা হলেও যাত্রীরা পরিত্রান পেতে পারে। বাজার কমিটি নামে থাকলেও কাজে নেই। বাজার কেন্দ্রীয় সমস্যায় সমাধানে এগুতে পারছেনা তারা,এমন অভিযোগ সচেতন মহলের।
ভোক্তভোগী যাত্রীরা জানান,ঈদগাঁও বাজার থেকে ষ্টেশনে রিকসা ভাড়া ১০ টাকার স্থলে ১৫ টাকা আদায় করা মানে দু:খজনক। বৃষ্টি হলেতো কথায় নেই। বাজার বা ষ্টেশন থেকে আলমাছিয়া মাদ্রাসা পয়েন্টে গেলে ৩০/৪০ টাকা ভাড়া আদায় করে, বাজার থেকে মাইজ পাড়ায় ২৫/৩০ টাকা দিতে বাধ্য করে চালকরা। এভাবেই ভাড়া বানিজ্যে অব্যাহত রয়েছে। ভাড়া বৃদ্বির ব্যাপারে প্রতিবাদ করলেই নানা ভাবে লাঞ্জিত করার চেষ্টা করে যাত্রীদেরকে কিছু কিছু চালক। দেখার যেন কেউ নেই। ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদ আহবায়ক সিরাজ জানান, একক ভাবে সিদ্বান্ত নিতে পারছিনা।













