জসিম হত্যাকান্ডের মূলহোতা তোফায়েল আটক

0
34
নিজস্ব প্রতিবেদক:
শেষ রক্ষা হয়নি মনখালীর জসিম হত্যাকান্ডের মূলহোতা তোফায়েল আহম্মদের। শেষ পর্যন্ত পুলিশের জালে আটকে পড়েছেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টম্বর) ভোরে কক্সবাজার শহরের বইল্ল্যা পাড়াস্থ তার বড়ভাই উখিয়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জুহুর আহম্মদ চৌধুরীর বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের দুই দিন পর শনিবার (১৪ সেপ্টম্বর ) জসিম হত্যা মামলায় আটক দেখিয়ে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে, রিমান্ড আবেদন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার। তবে, আটককৃতের পরিবারের দাবি ‘পুলিশ ফাঁড়ির আইসি সিদ্ধার্থ সাহা তোফায়েলকে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আদায় করেছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির আইসি সিদ্ধার্থ সাহা। জানা যায়, মনখালী ইয়াবার গডফাদার রহিম, তোফায়েল এবং জসিমের ছিলো একটি ইয়াবা সিন্ডিকেট। ইয়াবা টাকার ভাগ নিয়ে নিহত জসিমের সাথে তাদের বিরোধ চলছিলো। সর্বশেষ গত ২৮ জুলাই রাতে জসিমকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যায় তোফায়েল। ঐদিন রাতে রহিম ও তোফায়েল জসিমকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে বলে ধারনা করা হয়। পরের দিন দুপুরে মনখালী মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে জসিমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় উদ্ধার করা হয় নিহত জসিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি। জসিমকে করা সর্বশেষ ফোন নাম্বারসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। যদিও নিহতের ছোটভাই সাহাব উদ্দিন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। যা উখিয়া থানা মামলা নং ৫৭/১৯। এরপর থেকে এলাকা থেকে আত্মগোপনে চলে যায় তোফায়েল এবং রহিম। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টম্বর) ভোরে কক্সবাজার শহরের বইল্ল্যাপাড়া এলাকা থেকে তোফায়েলকে আটক করা হয়। আটকের পর তাকে অত্যান্ত গোপনীয়ভাবে উখিয়ার ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির আইসি নিজ হেফাজতে রাখা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আটক তোফায়েলের পরিবারের কয়েকজন সদস্য জানিয়েছেন, আটকের পর থেকে বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখায় তাদের। ক্রস ফায়ার থেকে রক্ষা করতে হলে ৫ লাখ টাকা দাবি করে ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিদ্ধার্থ সাহা। শনিবার তার দাবিকৃত টাকা প্রদানের পর তোফায়েলকে আদালতে সোপর্দ করেছে বলে জানান তারা। তোফায়েলের বড়ভাইয়ের ছেলে ইমরুল শরিফ তার ফেইসবুক আইডিতে বলেন, ‘আমার ছোট চাচা তোফায়েল আহমদ পরিকল্পিত মিথ্যা সাজানো মামলায় গ্রেফতার হল’। টাকা নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের আইসি জানান, তাকে জসিম হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। পরে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এদিকে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, জসিম হত্যার পর থেকে এলাকা থেকে পালিয়ে যায় উখিয়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জুহুর আহম্মদ চৌধুরীর ছোটভাই ইয়াবা বেন্ডার তোফায়েল আহম্মদ। মামলা দায়েরের কয়েকদিন পর নিহতের পরিবারের সদস্যরা তোফায়েল আহম্মদের রক্তমাখা শার্টও উদ্ধার করে। যা মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে আলামত হিসেবে রয়েছে। শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী তোফায়েলকে জিঙ্গেস করা হলে হত্যার আসল রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেছেন তারা।

আগেচকরিয়া-পেকুয়ায় ২৭ লাখ টাকার অনুদান পেলেন ৩৩জন অসুস্থ নারী-পুরুষ
পরেবঙ্গমাতা (অনূ-১৭)গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রামু উপজেলা বালিকা দলের খেলোয়াডের নাম ঘোষনা