পেকুয়ায় গহীণ পাহাড়ে দুই নারীকে গণধর্ষণ,গ্রেপ্তার-১

0
6

পেকুয়া প্রতিনিধিঃ

কক্সবাজারের পেকুয়ায় গহীণ পাহাড়ে দুই নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় আলীম উদ্দিন নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আলীম উদ্দিন শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া দক্ষিণজুম এলাকার আলী হোসেনের ছেলে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে দক্ষিণজুম গহীণ পাহাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ধর্ষণের শিকার এক নারীর স্বামী জসিম উদ্দিন বলেন, পুলিশের হাতে আটক আলীম উদ্দিন এলাকায় ভন্ড বদ্য হিসাবে পরিচিত। তার একটি সংঘবদ্ধ বাহিনী রয়েছে। ঘটনার রাতে সংঘবদ্ধ বাহিনী নিয়ে অস্ত্র সজ্জিত হয়ে আমাদের বাড়িতে হানা দেন। একপর্যায়ে বাড়ির সদস্যদের গাছের সাথে বেঁধে আমার বোন ও স্ত্রীকে অপহরণ করে গহীণ পাহাড়ে নিয়ে যায়। তারপর আলীম উদ্দিনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ আসামীরা তাদেরকে গণধর্ষণ করে চলে যায়। রাতেই স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি জানাজানি হলে আমাদেরকে উদ্ধার করে। তারপর পেকুয়া থানার ওসিকে ধর্ষণের বিষয়টি আমরা অবগত করি। ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ গহীণ পাহাড় থেকে ধর্ষণের শিকার দুইজনকে উদ্ধার করার পাশাপাশি প্রধান অভিযুক্ত আলীম উদ্দিন বদ্যকে আটক করে। রাতেই আমি বাদি হয়ে পেকুয়ায় থানায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করি।

তিনি আরো বলেন, আলীম উদ্দিন ভন্ড বদ্য হিসাবে এলাকায় বেশ পরিচিতি রয়েছে। এর আগেও সেই বেশ কয়েকজন মহিলাকে সংসার ছাড়া করেছেন। সংঘবদ্ধ বেশ কয়েকজন বখাটে তার সাথে থাকায় ভয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পায় না এলাকাবাসী। সর্বশেষ আমার পরিবার ও বোনকে ধর্ষণ করেছে ভন্ড বদ্যর দল। পেকুয়া থানার ওসি সাহেবের প্রতি অনুরোধ আসামীকে রিমান্ডে নিলে সব তথ্য বের হয়ে আসবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, দুই নারীকে গণধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। মেডিকেল রিপোর্টের জন্য দুই ভিকটিমকে বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পেকুয়া থানার ওসি কামরুল আজম বলেন, গণধর্ষণের ঘটনাটি জানার পর পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করার পর প্রধান আসামীকে আটক করা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। বাকি আসামীদের আটক করার জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আগে৭ দফা দাবীতে রামুতে প্রাথমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন ও র‌্যালী
পরেশিশুটির প্রতি এত নৃশংস বাবা