
আজ ৬৩ তম জম্মদিন তাঁর। ৬৩তম জন্মদিনের শুরুতেই নেতাকর্মীদের ভালবাসায় সিক্ত নগর পিতা আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দিন। প্রিয় নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে গভীর রাতে নেতা কর্মীদের ঢল নামে তাঁর বাস ভবনে
জন্মদিনে নির্ধারিত কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থকলেও মেয়রের আন্দরকিল্লার বাসভবন ছিল শত শত নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের পদচারণায় মুখর। শুভেচ্ছা জানাতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ছাড়াও রাজনৈতিক, সামাজিক, পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত হয়ে মেয়রকে জন্মদিনের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। মেয়রও আগত নেতাকর্মীদের কেক-মিষ্টি দিয়ে আপ্যায়ন করেন।
মূলত রবিবার (১৩ আক্টোবর) রাত ১০টা থেকেই মেয়রের বাসভবনে নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অানাগোণা শুরু হয়। যদিও কর্মব্যস্ত মেয়র যখন বাসায় ফিরেন তখন ঘড়ির কাঁটা প্রায় ১২টা ছুঁই ছুঁই।

ফেসবুকেও মেয়রকে তার অনুসারীরা নিরন্তর শুভকামনা জানিয়েছেন। ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সিভয়েসকে বলেন, আজ মাননীয় মেয়রের জম্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতেই এখানে আমরা সমাবেত হয়েছি। আমরা চাই শত শত বছর ধরে এই দিনটি আমাদের মাঝে ফিরে আসুক। এই সময় উপস্তিত ছিলেন যুবলীগ নেতা আব্দুল মান্নান ফেরদৌস, চন্দন তালুকদার সহ চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতা কর্মীরা।
আ.জ.ম নাছির উদ্দীন এর পিতা মরহুম সৈয়দ মঈনুদ্দিন হোসাইন (বিশিষ্ঠ শিক্ষানুরাগি ও দানবীর), দাদা মরহুম হাফেজ মৌলভী মোহাম্মদ শামসুদ্দিন; ঐতিহ্যবাহী আন্দরকিল্লাহ শাহী জামে মসজিদের অবৈতনিক পেশ ইমাম ও খতিব ছিলেন।
বড় দাদা মরহুম মওলানা মোহাম্মদ হোসাইন; ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসা থেকে হাদিস শরীফের উপর মোহাদ্দেস ডিগ্রীধারি ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের প্রথম উচ্চ ডিগ্রীধারি মোহাদ্দেস ও তৎকালীন সরকারি ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমানে চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন কলেজ) এর অধ্যক্ষ ছিলেন।
মাতা ফাতেমা জোহরা বেগম; চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ইয়াসিন নগরের হলদিয়ার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মরহুম আলহাজ্ব বদিউল আলম ও আছিয়া খাতুনের বড় মেয়ে। পিতৃ বিয়োগের পর সন্তানদের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুদায়িত্ব পালন করেন। ধার্মিক এই মা জননীর সন্তান হিসেবে আ.জ.ম নাছির উদ্দীন গর্বিত।











