
ক্রীড়া ডেস্কঃ
সোমবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ক্রিকেট পাড়া সরব ছিল সাকিবকে নিয়ে। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন ছিল, সাকিব কি আদৌ ভারত সফরে যাবেন? নাকি গ্রামীণফোনের সঙ্গে করা চুক্তির কারণে বোর্ডের কাছ থেকে কারণ দর্শানো নোটিশ পেয়ে ক্ষুব্ধ সাকিব, ভারত সফরে না যাওয়ার পাঁয়তারা করছেন?
বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের মুখেও এমন কথা উচ্চারিত হয়েছে যে, সাকিবসহ কয়েকজন ভারত সফরে না যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। আর সে কারণেই সাকিব ইস্যুতে বোর্ড সভাপতি কাল বিকেল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বোর্ডে কাটিয়েছেন। বোর্ড পরিচালক, কোচিং স্টাফ ও ক’জন ক্রিকেটারের সঙ্গে কথাবার্তাও বলেছেন।
তখন শোনা যাচ্ছিল, সাকিব ভারত সফরে যেতে চাচ্ছেন না। তাকে বোঝানোর চেষ্টা চলছে। আর সাকিব শেষ পর্যন্ত না গেলে সম্ভাব্য করণীয় কী হবে? তা নিয়েই নাকি সব কথাবার্তা হয়েছে।
কিন্তু রাত বাড়ার সঙ্গেই সঙ্গেই হাওয়া পাল্টাতে আরম্ভ করলো। রাতে বোর্ডের ক’জন পরিচালকের কথায় কেমন যেন ভাব! রাত ১২টা গড়িয়ে মঙ্গলবার প্রথম প্রহর থেকেই কানাঘুষা, আরে সাকিব ভারত সফরে যাবেন কি যাবে না- সেটা বড় নয়। সাকিব আদৌ যেতে পারবেন কি না সেটাই দেখার।
বোর্ডের অন্তত দু’জন পরিচালকের মুখে এমন কথা শোনার পরও ঠিক বোঝা যায়নি আসল ঘটনা কী? পরে মধ্যরাতে (সোমবার দিবাগত রাত দুইটায়) দিকে জানা গেল খবর, যা শুনে শুধু সাকিব সমর্থকরা হয়ত মুষড়ে পড়বেন। আর বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভক্ত ও সমর্থক যে কারো মাথায় বাজ পড়ার উপক্রম হবে।
বোর্ডের দায়িত্বশীল সূত্রের খবর, সাকিব আসলে ভারতে যেতে চাচ্ছেন না খবরটি ঠিক নয়। আসলে তিনি যেতে পারবেন না। সম্ভবত আইসিসির দুর্নীতি দমন সংস্থার রায়ে ১৮ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন সাকিব। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বিশাল। বাজিকরদের কাছ থেকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েও নিশ্চুপ থাকা।













