প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

0
4

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

আজকের দৈনিক দেশ বিদেশ পত্রিকায় ২৯ অক্টোবর প্রথম পৃষ্ঠায় আবদুল মাবুদ চেয়ারম্যানের বিবৃতি খুনিয়া পালংয়ে বর্ধিত সভার নামে বিএনপি পূর্নবাসন প্রকল্প বন্ধের আহবান শিরোনামে প্রকাশিত শীর্ষ সংবাদ টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে সংবাদে যাহা উলেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন , যাহা শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা মাত্র। নিজের কুকীর্তি আড়াল করার জন্য চেষ্টা করছে ছাত্রদল থেকে আসা অনুপ্রবেশ করি আবদুল মাবুদ চেয়ারম্যান। আমরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। সত্য কথা হল আবদুল মাবুদ চেয়ারম্যানের পিতা ইসলাম মেম্বার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসাবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা করার পরে মরিচ্যা বাজার স্টেশনে আনন্দ উল্লাস করে মিষ্টি বিতরণ করে এলাকাবাসী সবাই জানে। ইসলাম মেম্বার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের সভাপতি থাকা অবস্থায় ৯০ এর দশকে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন আবদুল মাবুদ।দল বদলে ৯৩ দশকে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন ছাত্রলীগে যোগদান করে অনুপ্রবেশ করি আবদুল মাবুদ এর পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি আব্দুল মাবুদের। বড় বড় নেতাদের হাত ধরে বনে গেছে জিরু থেকে হিরো, তার বাবা ইসলাম মেম্বার পৈত্রিক সূত্রে সম্পদ পেয়েছিল মাত্র ৬০ শতক।বড় বড় আওয়ামীলীগ নেতাদের সহযোগিতায় এবং তাদের নাম ভাঙিয়ে খুনিয়া পালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর মানবপাচার, ইয়াবা প্রচার, জমি দখল,পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি ,বালি বিক্রি রোহিঙ্গাদের কে জন্ম নিবন্ধন দিয়ে পূর্ণবাসন করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক, শত একর সম্পদ রয়েছে তার। ডাকাত মানব প্রচার করি ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কে নিয়ে গড়ে তুলেছে একটি শক্তিশালী সন্ত্রাসী হেলমেট বাহিনী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শবান আওয়ামীলীগ নেতাদের উপর এই সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দিনের পর দিন নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। অনেক আওয়ামী লীগ নেতারা মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে, অনেকে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে, অনেকে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ নিয়ে গেলেও কোন প্রতিকার পায় না। মেজর জিয়ার আমলে আবদুল গনি চেয়ারম্যান খুনিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, পরবর্তীতে দল বদলে দিদার মিয়ার লাঠিয়াল হিসেবে ছিল এবং খুনিয়াপালং ইউনিয়নে জাতীয়পার্টির দায়িত্ব পালন করেন। আবার ও দলবদলে যুদ্ধ অপরাধী ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর হাত ধরে এনডিপি খুনিয়াপালং ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে বড় বড় নেতাদের হাত ধরে আওয়ামিলীগে অনুপ্রবেশ করে আবদুল গনি । আবদুল মাবুদ ও আবদুল গনি দুই জন মিলে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন থেকে আওয়ামিলীগ কে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য যত রকম অত্যাচার নির্যাতন তারা করে যাচ্ছে। আবদুল হক কোম্পানি হল আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ।আবদুল হক প্রথমে ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করে, ৮৮ ও ৯২ দশকের দিকে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন, এর পরে আজ পর্যন্ত খুনিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন,আবদুল হক কোম্পানি সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তি। দলের বিরুদ্ধে কোনদিন অবস্থান নেননি, নিজের সহায় সম্পদ বিক্রি করে দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে আব্দুল হক কোম্পানি। এমন একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সম্পূর্ণরূপে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে আওয়ামিলীগের সভাপতির বিরুদ্ধে যে বিবৃতি দিয়েছে অনু প্রবেশকারী আবদুল মাবুদ ও আবদুল গনি আমরা হতবাক হয়েছি। আমরা উক্ত প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি, কেন্দ্রীয় আওয়ামিলীগের ও জেলা, উপজেলার নেতৃবৃন্দ ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতি আমাদের আকুল আবেদন সরজমিন তদন্তপূর্বক অনুপ্রবেশ কারি আব্দুল মাবুদ ও আব্দুল গনির বিরুদ্ধে দলিয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা , সাংবাদিক, কক্সবাজার জেলার সচেতন ব্যক্তিদের পতি অনুরোধ রইল।

প্রতিবাদকারি

খুনিয়াপালং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ।

আগেজাতীয় চক্ষু হাসপাতালে রামুর অন্ধ শিশু শয়ন মল্লিকের চিকিৎসা শুরু
পরেকক্সবাজার সদর থানা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার- ২৪