ঈদগাঁওতে নতুন শিক্ষাবর্ষে ভর্তিযুদ্ধ : অভিভাবকদের দৌড়ঁঝাপ শুরু   

0
9
এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও
বৃৃৃৃহত্তর ঈদগাঁওর স্কুল আর মাদ্রাসা সমূহে ২০২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিযুদ্ধ শুরু হয়। পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের ভর্তি করায় অভিভাবক দের দৌঁড়ঝাপ শুরু হয়েছে।
জানা যায়, ঈদগাঁও,জালালাবাদ, ইসলামাবাদ, ইসলামপুর ও পোকখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের সাধারণ অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের ভালমানের শিক্ষা প্রতিষ্টানে ভর্তি করানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কেউ কেউ স্থানীয় পর্যায়ের স্কুলগুলোতে সন্তানদের ভর্তি করাচ্ছেন, আবার অন্য কেউ এলাকা পেরিয়ে ঈদগাঁওর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বিদ্যালয়মুখী হচ্ছেন।
জানা যায়, বৃহত্তর ঈদগাঁওর ৫ ইউনিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেনী পাশ করা শিক্ষার্থীরা এবার প্রাইমারী পেরিয়ে মাধ্যমিক স্তরে আসতে যাচ্ছে। নতুন শিক্ষা প্রতিষ্টানে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীরা সেজেগুজে কেউ পিতা মাতার সাথে, কেউবা দাদা বা নানার সাথে আর কেউ আত্মীয় স্বজন দের সাথে আসছে ভর্তি হতে। জেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, নারী শিক্ষা কেন্দ্র ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহ আলমাছিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা ছাড়াও ইসলামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়,পোকখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, গোমাতলী উচ্চ বিদ্যালয়,ঈদগাহ শাহ জব্বারিয়া আদর্শ মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের ভর্তিযুদ্ধ চলমান রয়েছে। মানসম্পন্ন স্কুলের স্বল্পতায় ভালো মানের প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভর্তির চাপ সামলাতে হয়। আর এই চাপ স্বাভাবিকভাবেই বেশি পড়ে ঈদগাঁওর প্রতিষ্ঠানগুলোতে। খুব আহামরি না হলেও তুলনামূলক ভালো মানের শিক্ষা দেওয়া হয় শিক্ষাঙ্গন গুলোতে। মান সম্পন্ন শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে এলাকার বিদ্যাপীঠ গুলোতে সুশিক্ষা প্রদান করার নিশ্চিয়তা দেয়া হয় ভর্তির সময়। তা বাস্তবে কতটুকু হচ্ছে, সেই বিষয়টি খেয়াল রাখা দরকার অভিভাবকদের। উন্নত ও টেকসই পাঠদানের প্রতিশ্রুতি সকল শিক্ষাঙ্গনের।
আরো দেখা যায়, কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্টানে ভর্তি ফি একটু বাড়তি। বৃহত্তর এলাকায় গ্রামীন জনপদে আধুনিক ও মানসম্মত লেখাপড়ার প্রত্যয়ে হরেক রকম নামের কিন্ডার গার্ডেন পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলছে। তাদের ডিজাইনেবল পোষ্টার, ডিজিটাল ব্যানার, লিফলেট যেন চোখে পড়ার মত। সে সাথে ভর্তির মাইকিং পাড়া মহল্লা জুড়ে। একজন সচেতন অভিভাবকের চিন্তা যে,
তার ছেলে-মেয়ে কোন বিদ্যাপীঠে মানসম্মত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে,ভাল রেজাল্ট করতে পারবেন, এনিয়ে বর্তমানে টেনশনে ভোগ ছেন তারা।
অভিভাবকদের মতে, কিছু প্রতিষ্টানে ভর্তিসহ নানা ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয় বিভিন্ন ফি’র নামে। আবার বাণিজ্যও চলে।
দু:খজনক হলেও সত্য যে, এলাকায় পর্যাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকতেও ভালো মানের শিক্ষা পাওয়ার আশায় অভিভাবকরা তাদের সন্তান সন্তানদের পর্যটন শহর কক্সবাজার বা তারও দূরে ভাল মানের শিক্ষাঙ্গনের দিকে নিয়ে যেতে আগ্রহী হয়ে উঠছে। ‘ভর্তিযুদ্ধ’ নামের হয়রানি হতে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে বেসরকারি স্কুল গুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। স্কুলের লেখাপড়ার মান যদি মানসম্পন্ন হয়,তাহলে শিক্ষার্থীদের নানা স্থানে দৌঁড়াতে হবেনা আর।
আগেআগামী ৭২ ঘণ্টায় আরো বাড়বে শীত
পরে২২ ডিসেম্বর থেকে বায়ুদূষণকারী ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা