
এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও
জেলা সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে ক্রমশ বৃদ্বি পাচ্ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এতে করে, চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় রয়েছেন লোকজন। আতংক ও কাটছেনা এলাকাবাসীর মাঝে।
দেশের অন্যন্যা স্থানের ন্যায় কক্সবাজারের বৃহত্তর ঈদগাঁও নানা স্থানে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। এতে ভয়-আতংকের মাঝে রয়েছেন এলাকার সর্বশ্রেনী পেশার লোক জন। দিন যতই সামনে এগুচ্ছে তত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। পরিস্থিতি ভাল নেই।
৩১ শে মে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত লক ডাউন সীমিত আকারে খুলে দেওয়ার ব্যবসায়ীসহ দীর্ঘদিন গৃহবন্দি থাকা কর্মহীন মানুষ এবার বাজারমুখী বা কাজকর্মে নেমে পড়ছেন। সেই সাথে জনসমাগমও বাড়ছে। পাড়া মহল্লার দোকানগুলোতে আড্ডাবাজি থামছেনা।
দেখা যায়,দক্ষিন চট্রলার বৃহৎ বানিজ্যিক কেন্দ্র ঈদগাঁও বাজারে শতকরা ৬০ ভাগ লোকের মুখে নেই মাস্ক। প্রায় দোকানপাঠে সামাজিক দুরত্ব মানলেও তবে কিছু কিছু দোকানে মানা হচ্ছেনা। গাদাগাদি করে ক্রয় করছেন মালামাল।
গ্রামাঞ্চলের লোকজন বেশিভাগ অসচেতন। বর্তমান এমন কঠিন মুর্হুতেও সচেতনতার ছোঁয়া এখনো তাদের মাঝে পরিলক্ষিত হয় নি। যেখানে নিজ কিংবা পরিবার পরিজন কে নিরাপদে রাখতে ঘরে থাকার জন্য বলা হলেও মানছেনা অনেকেই। আবার অনেক সচেতন লোকজনরা সহজে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
সচেতন মহলের মতে,নিজ এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে বাড়ীতে অবস্থান করুন, শারিরীক দুরত্ব বজায় রাখুন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। হ্যান্ডশেফ,কোলাকুলি কিংবা গা-ঘেঁষে বসা থেকে দূরে থাকুন।
ঈদগাঁওতে এ পর্যন্ত বহুজন করোনা রোগে আক্রান হয়। কিছু কিছু রোগী সুস্থ রয়েছেন বলেও জানা গেছে। ঈদগাহ ডায়াবেটিস কেয়ার সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: মো: ইউসুফ আলী,ফার্মেসী ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির,ঈদগাঁও জাগির পাড়া,ভোমরিয়াঘোনা পালপাড়া,ইসলামাবাদ খোদাইবাড়ী,ফকিরা বাজার,ইসলামপুরসহ নানান এলাকাতেও করোনায় আক্রান হয় মানুষ। কিছু বাড়ী বা প্রতিষ্টান লকডাউন করা হলেও অন্যদের করা হয়নি। বৃহত্তর ঈদগাঁওর পাশাপাশি প্রতিদিন করোনা আপডেটে সদরে রোগীর সংখ্যাও আশংকাজনক বৃদ্বি পাচ্ছে।
করোনা পজেটিভ ডা: মো: ইউসুফ আলী ১৪ দিন যাবত বাসায় অবস্থান করছে,ভাল ও সুস্থ আছে এবং ঈদগাঁওবাসীকে সজাগ থাকার প্রতিও আহবান জানিয়েছেন তিনি।
ঈদগাঁও ভিলেজ ডক্টরস ফোরাম সহ সভা পতি রেহেনা নোমান কাজল জানান,দৈনিক ২/৩ জন সর্দি-কাশি রোগী চিকিৎসার জন্য এসে থাকেন চেম্বারে।













